আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নে রাতের আঁধারে ছোবড়া ঘর (টোং) বেধে জমি জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। বুধহাটা ইউনিয়নের পাইথালী গ্রামের মৃত কার্ত্তিক দেবনাথের ছেলে দুলাল দেবনাথ হয়ে বেউলা গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে রবিউল সরদার ও রফিকুল সরদার এবং মৃত বাবর আলী সরদারের ছেলে নজরুল সরদারকে বিবাদী করে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগে জানাগেছে, পাইথালী মৌজায় ২৭১/০১ নং খতিয়ানে ৬১১ দাগে জমির ৭ শতক এবং ১২৩২ দাগে ৪ শতক সর্ব মোট ১১ শতক সম্পত্তি বাদীর স্ত্রী শ্রীমতি চম্পা রানী দেবনাথ ২০০৩ সালে (দলিল নং-৫৮৭৬) একই গ্রামের মৃত সতিশ চন্দ্র দেবনাথের স্ত্রী শ্রীমতি চন্ডিবালা দেবনাথের নিকট হইতে কোবলা সূত্রে ক্রয় করে সেই থেকে অদ্যবধি শান্তিপূর্ণ ভোগ দখলে আছেন। বিবাদীরা উক্ত সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা করতে থাকলে চম্পা রানী দেবনাথ বাদী হয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ আইনের ১৪৫ ধারা মোতাবেক পিটিশন মামলা নং-১৬১৫/২৫ দায়ের করেন। থানা পুলিশ শান্তিশৃংখলা বজায় রাখতে পক্ষদ্বয়কে নোটিশ প্রদান করে। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে বুধহাটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এসএম আব্দুল মজিদ বিজ্ঞ আদালত হতে নির্দেশ পেয়ে ঘটনাস্থলে না গিয়ে, বাদীকে অবগত না করিয়ে বিজ্ঞ আদালতে মনগড়া প্রতিবেদন দাখিল করেন। বিবাদীরা নিছক গায়ের জোরে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ এবং থানা পুলিশের নোটিশ অমান্য করে বাদীদের ভোগ দখলীয় তপশীল সম্পত্তিতে গত ৫ ফেব্রুয়ারী রাত্র অনু: ৩ টার সময় অনুপ্রবেশ করতঃ খুঁটির উপর টিনের ছাউনি ও প্রতিথিনের ঘেরা দিয়ে ছোট্ট ছোবড়া (টোঙ) বাসা ঘর নির্মান করেছে। বাদী পক্ষ ও পরিবারের লোকজনকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় আলেক সরদার জানান, চন্ডিবালার কাছ থেকে বাদীপক্ষ জমি ক্রয়ের পর থেকে ভোগদখল করে আসছেন। হঠাৎ করে ছোট্ট ঘর বেধে ঘেরাবেড়া দিয়ে দখলের চেষ্টা করা হয়েছে। বাদী দুলাল দেবনাথ ও চম্পারানী দেবনাথ বলেন, জমি কোবলা দলিলের মাধ্যমে ক্রয়ের পর মিউটেশন ও দাখিলা কেটে ২৩ বছর দখলে আছি। প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র ও হুমকী ধামকীতে আমরা রীতিমত ভীতিকর পরিস্থিতিতে আছি। আমরা থানা পুলিশ ও বিজ্ঞ আদালতের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।