বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ বলেছেন, পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল বারবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তারা জামায়াতের পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলছে, এমনকি কোথাও কোথাও মা-বোনদের হেনস্তা করার মতো ন্যক্কারজনক আচরণ করছে-যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কচুয়া দাখিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাহাদ দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার পোস্টার ছিঁড়েছেন-সম্পর্কের খাতিরে এতদিন নীরব ছিলাম। কিন্তু মা-বোনদের অসম্মান করার সাহস দেখালে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সাবধান হয়ে যান।” আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমেই সত্যিকারের বিজয় নিশ্চিত হবে।” এ ছাড়াও তিনি সকল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত সজাগ থাকার আহ্বান জানান। কচুয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা শেখ মোহাম্মদ ইউনুস, এন সি পি এর জেলা আহ্বায়ক সৈয়দ মোরশেদ আনোয়ার সোহেল, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আমিরুল আলম সিদ্দিকী, জেলা জামায়াত নেতা শেখ কামরুল আলম, ইসলামী ছাত্রশিবির নেতা শেখ মো. এনামুল কবির, অ্যাডভোকেট মোস্তাইন বিল্লাহ,অধ্যক্ষ মাওলানা আলতাফ হোসাইন, সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওলানা মোস্তাজাবুল হক, শাহীকুল হাদিস আমিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, মাস্টার আমিনুল ইসলাম ও খেলাফত মজলিস নেতা অ্যাডভোকেট বালী নাসের ইকবালসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদের নেতৃত্বে একটি বিশাল মিছিল বের হয়। মিছিলটি মাদরাসা প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে কচুয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জিরো পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। এতে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোটের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। স্থানীয় নেতারা জানান, কচুয়ার মানুষ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে এবং যেকোনো ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।