সৈয়দপুরে জাপা প্রার্থীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : | প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
সৈয়দপুরে জাপা প্রার্থীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

নীলফামারী-৪ আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ নেতাদের নিয়ে ভোট কেনার জন্য টাকা বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে সাধারণ জনগনের প্রতিরোধকে মব বলে অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে এবং প্রশাসনের নির্লিপ্ততার বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারী) সৈয়দপুর প্রেসক্লাবে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে এই আয়োজনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সৈয়দপুর শহর শাখার আমীর শরফুদ্দিন খান। শহর আমীর মাওলানা ওয়াজেদ আলীর সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি থেকে বিএনপিতে সদ্য যোগদানকারী উপজেলা জাপার সাবেক সভাপতি ঠিকাদার জয়নাল আবেদীন, এনসিপির উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র নেতা আনোয়ারুল ইসলাম মানিক, পৌর আহ্বায়ক জাবেদ আত্তারী ও সাংবাদিক জাকির হোসেন প্রমুখ। এই আয়োজনে সংহতি প্রকাশ করেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ সভাপতি এ্যাড. এস এম ওবায়দুর রহমান , সাধারন সম্পাদক শাহিন আকতার ও প্রচার সম্পাদক আবু সরকার। এছাড়া বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দসহ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী) রাত ১০ টায় সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবুপাড়া শহীদ বদিউজ্জামান সড়কে জাপা প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে আওয়ামীলীগ নেতাদের নিয়ে ভোট কেনার জন্য টাকা বিতরণ করা হয়। এখবর পেয়ে এলাকার কতিপয় যুবক প্রতিবাদ জানালে সেখানে অবস্থানকৃত নিষিদ্ধ সংগঠন সৈয়দপুর পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হকের ছেলেসহ পৌরসভার একজন সাবেক মহিলা কাউন্সিলর ও অন্যান্য নেতাকর্মীরা দ্রুত মোটর সাইকেল যোগে পালিয়ে যায়। পরে ভেতর থেকে অফিসের গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মেহদী ইমাম সেখানে আসেন। লোকজন তাকে টাকা বিতরণের কথা জানান এবং ভেতরে আওয়ামীলীগ নেতা রয়েছে বিষয়টি অবহিত করেন। এরই মধ্যে সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মেহদী ইমাম সাংবাদিকদের জানান, লোকজনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাপা প্রার্থীর অফিসে তল্লাশী চালানো হয়েছে। এখানে কোন ব্যক্তি বা টাকা পাওয়া যায়নি। তবে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করায় প্রার্থীর ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ঘটনার সময় কিশোরগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সোহওয়ার্দী গ্রেনেড বাবু আসলে ৩৫ হাজার টাকাসহ পুলিশের হাতে তুলে দিলেও তাকে পড়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দপুর থানার ওসি ও এসিল্যান্ডকে দ্রুত অপসারনের দাবি জানানো হয়।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে