হবিগঞ্জ-৪(মাধবপুর-চুনারুঘাট)আসনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ফয়সল বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বলেছেন আমার নেত্রী মৃত্যুর পুর্ব মূর্হূতে আমাকে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দিয়ে ঋনী করেছেন। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। মাধবপুর-চুনারুঘাটে মানুষ আমার প্রতি যে ভালবাসা দেখিয়েছেন তা শোধ করার নয়। দু’এলাকায় উন্নয়ন করার মাধ্যমে এ ঋন শোধ করতে চাই। বিশেষ করে আমার দলীয় নেতাকর্মী, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায় এবং চা-শ্রমিক ভাই ও বোনেরা আমাকে যেভাবে ভোট দিয়ে সম্মানীত করেছে তা কল্পনার বাহিরে। আমি কথা দিচ্ছি মাধবপুর-চুনারুঘাটের সকল মানুষ সমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে। কোন ধরনের বৈষম্য থাকবে না। কোন ধরনের সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি থাকবে না। সমতার ভিত্তিতে সকল এলাকায় উন্নয়ন হবে। বৃহস্পতিবার রাতে এবং শুক্রবার দিনব্যাপি মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার জনসাধারনের সঙ্গে বিজয়ের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার ভাই সায়হাম গ্রুপের অন্যতম পরিচালক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ মোঃ শাহজাহান, ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ এবিএম হুমায়ুন, সৈয়দ সেলিম তার বড় ছেলে সায়হাম কটন মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদ ও সায়হাম নীট কম্পোজীটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সাফকাত আহমদ, চুনারুঘাট উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান, চুনারুগাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি এড.মনিরুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক এড.সিরাজুল ইসলাম, সাবেক মেয়র নাজিমউদ্দিন সামসু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সামসুল ইসলাম কামাল, পৌর বিএনপির সভাপতি গোলাপ খাঁন, সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর ররহমান সোহাগ, সামসুল ইসলাম মামুন, সাবেক মেয়র হাবিবুরর রহমানসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। বে-সরকারি ভাবে ফলাফল ঘোষনার পর থেকেই দু’উপজেলার হাজার হাজার নেতাকর্মী ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান এবং শুক্রবার দিনভর নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। অপর দিকে বিজয় উৎসব পালন না করে বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে শুক্রবার জুম্মার নামায শেষে নোয়াপাড়া সাহেব বাড়ী জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়।