বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি।
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমস ডব্লিউআইওএন মঙ্গলবার এ খবর দিয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর বিএনপির এই উদ্যোগকে দুই দেশের স্থবির সম্পর্কে উষ্ণতা ফেরার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, “এই অঞ্চলটি আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তারেক রহমানের পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এটি। আমাদের লক্ষ্য এই অঞ্চলকে প্রভাবশালী অঞ্চলে পরিণত করা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাঠানোর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারবোধ রয়েছে। সময়সীমা কম, তবে সদিচ্ছা রয়েছে।”
এই আমন্ত্রণকে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে নেওয়া একটি শুভেচ্ছা উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘আপনি কাউকে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানালে স্বাভাবিকভাবেই তার উপস্থিতির প্রত্যাশা করবেন। এটি একটি সদিচ্ছার প্রকাশ...।’
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বৃহত্তর কূটনৈতিক লক্ষ্য তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, নতুন সরকার আঞ্চলিক সহযোগিতায় একটি ভারসাম্যপূর্ণ পন্থা অনুসরণ করতে চায়। আমরা বিশ্বাস করি, এই অঞ্চলের জন্য একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারণ করা সম্ভব।
বহুপাক্ষিক সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ততার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সার্ক ও বিমসটেককে কাজে লাগানো যেতে পারে
নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস জয়ের পর আন্তর্জাতিক মহল থেকে আসা শুভেচ্ছা বার্তার মধ্যেই এসব মন্তব্য এসেছে।
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিএনপির এই বিজয়কে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘একটি বড় পরিবর্তন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি।
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতোমধ্যে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং ‘গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল’ বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সমর্থনের কথা বলেছেন।
মোদী এক এক্স বার্তায় তারেককে উদ্দেশ করে লেখেন, “আমাদের বহুমুখী সম্পর্ক জোরদার করতে এবং আমাদের সাধারণ উন্নয়ন লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নিতে আপনার সাথে কাজ করার জন্য আমি উন্মুখ।”