ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ৮ প্রার্থী জামানত হারালো

এফএনএস (রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও) : | প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০১:১৯ পিএম
ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ৮ প্রার্থী জামানত হারালো

নির্বাচন বিধিমালা অনুসারে নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টামাংশ অপেক্ষা কম ভোট পেলে প্রার্থীর জামানতের টাকা সরকারের অনুকুলে বাজেয়াপ্ত হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ-রানীশংকৈল) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে মোট ১০জন প্রার্থী এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। যথেষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় ৮জন এমপি প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। এ আসনে এবার জামানত হারিয়েছেন ৫ বারের এমপি, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজউদ্দীন আহম্মেদ। একটি নির্বাচনি এলাকায় যত ভোট পড়ে তার শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট প্রার্থীরা যদি না পান তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে এবারও একটি বড় সংখ্যক প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।  এ আসনে এবার মোট ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১২৯ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ২লাখ ৬২হাজার ৬৬৮টি। সে হিসেবে জামানত ফেরত পেতে তাকে পেতে হতো ৪৫হাজার৫১৬ দশমিক১২৫ ভোট। কিন্তু হাফিজউদ্দীন আহমেদ পেয়েছেন ২৭ হাজার ১৩৩ ভোট। হাফিজউদ্দীন আহমেদ ১৯৮৮, ২০০১, ২০০৮, ২০২৩ (উপ-নির্বাচন) ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে ১লাখ ৩২হাজার ৭৯৭(পোস্টাল ভোটসহ) পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক এমপি বিএনপির প্রার্থী জাহিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মিজানুর রহমান মাস্টার পেয়েছেন ৯১হাজার ৯৩৪ ভোট। তার জামানত রক্ষা হলেও খুব কমসংখ্যক ভোট পাওয়ায় এ আসনের আরো ৭জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন।  তারা হলেন, গণ অধিকার পরিষদের মামুনুর রশিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত আল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রভাত সমির শাহাজাহান আলম, বাংলাদেশ মাইনোরিটি পার্টির কমলা কান্ত রায়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এস এম খলিলুর রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মনি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে