আশাশুনি উপজেলার বড়দল খ্রীস্টান মিশনারীর অসহায় কিছু পরিবার প্রতিপক্ষের রোষানলে চরম বিপাকে রয়েছে। মিথ্যা মামলা ও হয়রানীর শিকার আচারী, মন্ডল, নাগ ও গাইন পরিবারের সদস্যরা প্রশাসন ও আইন আদালতের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
মিশনের নামে জমি ক্রয় করার নিয়ম না থাকায় চার্চের ফাদার ফিলিপ মন্ডল জমি ক্রয় করে চার্চের আয়ত্বে রাখেন এবং ভূমিহীন সদস্যদের বসবাসের জন্য উন্মুক্ত করে রাখেন। প্রতিপক্ষ জগদীশ সিং এর নেতৃত্বে পিটার ডি রোজারিও এর ছেলে ডেভিট ডি রোজারিও ও পলি ডি রোজারিও এবং পিটারের স্ত্রী যাদব ডি রোজারিও ২৪ শতক জমি রেকর্ড করে নেয়। জানতে পেরে ফাদার ফিলিপ মন্ডল অবৈধ রেকর্ড সংশোধনের জন্য মামলা করেছেন। মামলাটি চলমান আছে। চার্চের জমিতে জায়গা পাওয়া অসহায় পরিবারগুলো চরম বিপাকে রয়েছে। আসামীরা জানায়, প্রতিপক্ষের নেতৃত্বদানকারী জগদীশ সিং বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামী করে বিজ্ঞ আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী (দ্রুত বিচার) ট্র্যাইব্যুনাল, সাতক্ষীরা আদালতে দ্রুত বিচার আইনের ৪/৫ ধারাসহ ৩০৭ ও ৪২৭ ধারায় মামলা করে। মামলায় ঢাকায় থাকা জয় আচারী, লীটু আচারী, কারিতাসে চাকরীরত আগষ্টিন, খুলনায় ইজিবাইক চালক দিপ্তী আচারী ও ঢাকায় থাকা ফ্রান্সিস গাইনকেও আসামী করে মিথ্যা মামলা করে বলে তারা দাবী করেন। তাদের অত্যাচার, নির্যাতন ও হয়রানী থেকে বাঁচতে ও শান্তিপূর্ণ চার্চের শান্তি ফিরিয়ে আনতে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন ও চার্চ এর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। কিন্তু জগদীশ দিংকে থামানো যায়নি।
চার্চের পালক পুরোহিত জুয়েল ম্যাগ ফিল জানান, আমি সম্প্রতি এসেছি। জমি সম্পূর্ণ মিশনের। সব মিলিয়ে যতদুর জানি জমি ধর্মপল্লীর। মিশনের ফাদার জমি কিনে অসহায়দের ভাগ করে দিত। জমি অন্য কেউ কেনে নাই। ওদের নামে রেকর্ড হওয়ায় রেকর্ড সংশোধনের মামলা করা হয়েছে। মামলাটি চলমান আছে। ফাদার ফিলিপ মন্ডল মামলার বাদী।