সৈয়দপুরে প্রথম রমজানেই কলার দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। রমজানের আগে যে কলার হালি বিক্রি হতো ২০ টাকা আর রমজান শুরুর সাথে সাথেই ওই কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা। বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে এ সকল পণ্যের দাম ব্যবসায়িরা নিজের ইচ্ছে মতো হাকাচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় সৈয়দপুর শহরে রমজানের পূর্বে মালভোগ কলা হালি বিক্রি হয়েছে নিম্নে ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা দরে। কিন্তু প্রথম রোজায় ওই কলার দাম উঠেছে ৩০ টাকা থেকে ৫০ টাকা হালি। চিনি চম্পা কলা হালি ছিলো ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা থেকে ৩৫ টাকা। এঁটে কলা (বিচি কলা) হালি ছিলো ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা। তবে তরকারির জন্য কাচকলা বিক্রি হতো হালি ২০ টাকা এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। শুধু কলার দামই নয় বেড়েছে মুড়ি-মুড়কি,পিয়াজু,বুন্দিয়া, জিলাপি, বেগুনি,আলুর চপসহ অন্যান্য ইফতারি উপকরণের দাম। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে এ সকল পণ্যে ভেজাল মেশানোর প্রতিযোগিতা। বিভিন্ন প্রকার বিষাক্ত ক্ষতিকারক রং মিশিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে তৈরি করা হচ্ছে বুন্দিয়া ও জিলাপি। এ সকল ইফতারি সামগ্রীতে ভেজাল মুক্ত রাখতে প্রশাসনের অভিযান চালানোর দাবি তুলেছে সচেতন মানুষ। এ ব্যাপারে কথা বলেন,সৈয়দপুর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ইয়াসিন আলী সরকার। তিনি বলেন,খাদ্যে ভেজাল মেশনো বন্ধ করতে আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনক্রমেই তা বন্ধ করতে পারি নাই। তবে আগের চেয়ে মানুষ সচেতন হওয়ার কারণে ভেজাল প্রবণতা অনেকটা কমে এসেছে।