ভালুকায় ফ্যাক্টরীর জমি জবরদখলের চেষ্টা, সীমানা প্রাচীর নির্মান

এফএনএস (মোঃ আলমগীর হোসেন; ভালুকা, ময়মনসিংহ) :
| আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম | প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০১:৫৬ পিএম
ভালুকায় ফ্যাক্টরীর জমি জবরদখলের চেষ্টা, সীমানা প্রাচীর নির্মান

ময়মনসিংহের ভালুকায় কে এন্ড কে ফ্যাক্টরীর মালিক জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেলের ছেলে খালেদ জামিলের ২৬৮ নং দাগে ৯১ শতাংশ জমি স্থানীয় ভুমি দুস্য কামরুল ঢালী জবর দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মান কাজ শুরু করে। ফ্যাক্টরীর লোকজন বাধা দিলে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ফ্যাক্টরীর পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভালুকাম মডেল থানায় পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, ১৯৮১ সালে খালেদ জামিল আহমেদ আদেল সাফ-কবলা মুলে স্থানীয় জব্বর ঢালীর কাছে থেকে ৩ একর জমি ক্রয় করেন। পরে ৩ একর জমি থেকে ২একর ৩৫ শতাংশ জমি কে,এন্ড,কে টপস টেক্সটাইলস কোম্পানি লিটেডের নামে হস্তান্তর করেন বাকী ৬৫ শতক জমিসহ  ১৯৯৬ ও ৯৭ সালে অন্যান্য মালিকদের কাছে থেকে আরো ২৬ শতাংশ জমি করে সর্বমোট ৯১ শতাংশ নিজ নামে রেকর্ডভূক্ত করে হাল নাগাদ খাজানা পরিশোধ করেন। ২৫৯০ ও ২৫৮৬ নং দাগের বি,আর,এস ৫১২ নং খতিয়ানে মালিক হয়ে ৪৫ বছর যাবৎ ভোগ দখলে রয়েছেন। গত ৯ ফ্ব্রেুয়ারী ভুমিদুস্য কামরুল ঢালী সন্ত্রাসী লোকজন নিয়ে কে,এন্ড,কে ফ্যাক্টরীর ওই ৯১ শতাংশ জমি জবর দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মান কাজ শুরু করে। ফ্যাক্টরীর লোকজন বাধা দিলে হত্যার হুমকি দেয়। পরে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে জবর দখলকারীরা পালিয়ে যায়।,গত সোমবার (২৩ফেব্রুয়ারী) সকালে ভুমিদুস্য কামরুল ঢালী পূনঃরায় সীমানা প্রাচীরের কাজ শুরু করলে ফ্যাক্টরীর লোকজন বাধা দেয়। পরে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভালুকা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ গিয়ে সিমানা প্রাচীর নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়। ৫ আগস্টের পর ভুমি খেকো কামরুল ঢালী এলজি বাটারফ্লাই কোম্পানি জমি জবর দখল করে নিয়েছে। অভিযুক্ত কামরুল ঢালী জানান আমার জমিতে আমি কাজ করছি। আমি কোন ফ্যাক্টরীর জমি জবর দখল করিনি। ভালুকা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মাহাবুবুল আলম দুলু জানান,বিগত আ’লীগের আমলে কামরুল ঢালী আ’লীগেন ছত্রছায়া  থেকে ভালুকার বহু নিরীহ মানুষের জমি জবন দখল করেছে। ৫ আগস্টের পর নিজেকে বিএনপির নেতা দাবী করে এলজি বাটারফ্লাই কোম্পানি.ও কে,এন্ড,কে ফ্যাক্টরীর জমিসহ নিরীহ লোকজনের জমিদ জবর করেই যাচ্ছে। ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো ঃ জাহিদুল ইসলাম জানান,অভিযোগ পেয়েছি ্এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে