কাতারের রাস লাফান ও মেসাইইদ শিল্পনগরীর জ্বালানি স্থাপনায় ইরানি ড্রোন হামলার পর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করেছে কাতার এনার্জি। কাতারের জ্বালানি উৎপাদন বন্ধের পর ইউরোপে গ্যাসের দাম বেড়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি।
আজ সোমবার এক প্রতিবেদনে সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার পর, পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। গত কয়েকদিনে দফায় দফায় হামলা চালানো হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরবে। এমন অবস্থার মধ্যে কাতারের জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে ইউরোপে গ্যাসের দাম ৩০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।
এর আগে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাস লাফান ও মেসাইইদের জ্বালানি-সংশ্লিষ্ট দুটি স্থাপনায় ড্রোন আঘাত হেনেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে বিশ্বের শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি কাতারএনার্জি জানায়, তারা এলএনজি ও সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
হামলার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং উৎপাদন কবে নাগাদ পুনরায় শুরু হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।