জামালপুর সদর উপজেলায় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে দোষী সাব্যস্ত করে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দিয়েছেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত । সেই সাথে আদালত দণ্ডিতদের বিভিন্ন পরিমানে অর্থদন্ডও করেছেন । বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে জামালপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শরিফুল হক এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, জামালপুর সদর উপজেলার বেলটিয়া ফকির বাড়ি গ্রামের মোঃ সুরুজ উদ্দিনের ছেলে সুজন (২৫) এবং জঙ্গলপাড়া গ্রামের মোঃ জমশের আলীর ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম (৩৫)। জামালপুর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের অতিরিক্ত পি.পি অ্যাডভোকেট সুলতান মাহমুদ সাংবাদিকদের জনায়, পুলিশ আসামী সুজন এর নিকট হইতে ৪ গ্রাম হেরোইন এবং শফিকুল ইসলাম এর নিকট হইতে ৩ গ্রাম হেরোইন সহ সুজন এবং শফিকুলকে গ্রেপ্তার করে। পরে পুলিশ গত ১২ জুন, ২০২১ তারিখে জামালপুর সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলাটি চীফ জুডিসিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের জন্য প্রেরিত হলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ শরিফুল হক ৫ জন সাক্ষী এবং প্রাসঙ্গিক নথি পরীক্ষা করে তাদের দোষী সাব্যস্ত করে সুজন-কে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৮ (ক) দারায় শাস্তি যোগ্য অপরাধ করায় ৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন এবং মোঃ শফিকুল ইসলাম-কে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৮ (ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানার টাকা অনাদায়ে আরো ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। এবং তিনি আরও আদেশ দেন যে, সাজাপ্রাপ্ত আসামী সুজন ও মোঃ শফিকুল ইসলাম অত্র মামলায় ইতোপূর্বে হাজতবাস করে থাকলে তা সাজার মেয়াদ গণনা হতে’বাদ যাবে। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, অতিরিক্ত পি,পি, এ্যাডভোকেট মোঃ সুলতান মাহমুদ এবং আসামী পক্ষে মামলাটি পরিচলিনা করেন এ্যাডভোকেট মোঃ মুক্তার উদ্দিন এবং তাকে সহায়তা করেন মোহাম্মদ নজজরুল ইসলাম মোহন ।