রাজশাহীতে বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষ, প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর

এম এম মামুন; রাজশাহী | প্রকাশ: ৭ মার্চ, ২০২৬, ০২:৩৮ পিএম
রাজশাহীতে বিএনপির দুগ্রুপের সংঘর্ষ, প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ঈদগাহ মাঠের ম্যানেজিং কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্বে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এতে করে কয়েকজন নেতাকর্মী হয়েছে। আহতদের দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ফেস্টুন ভাঙচুর করা হয়। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে উপজেলার বেলপুকুর থানার বাঁশপুকুরিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরজুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা জানান, বেলপুকুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আব্দুল ওয়াহিদ এবং বেলপুকুর ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মমিনের মধ্যে বাঁশপুকুরিয়া দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ মাঠের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাঁশপুকুরিয়া বাজারে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়, একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এসময় মমিনের ভাতিজা খোরশেদ ও জয় বাজারে এলে আব্দুল ওয়াহিদ মেম্বার, তার বড় ভাই আবু সাঈদ, ছেলে জয় এবং সোহানসহ কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে দুজনের মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পুঠিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ হয়ে মমিন সমর্থকদের একটি দল বাঁশপুকুরিয়া বাজারে এসে আব্দুল ওয়াহিদ মেম্বারকে না পেয়ে তার ভাতিজা আনিসুর রহমানের কীটনাশকের দোকানে ভাঙচুর চালায়। এ সময় তারা ওয়াহিদ মেম্বারের দলীয় অফিসে থাকা প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ফেস্টুন ভাঙচুর করে ও একটি ক্যারাম বোর্ড রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার সংবাদ পেয়ে বেলপুকুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আরজুন বলেন, বিষয়টি নিয়ে কোন ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়। সেজন্য এলাকায় পুলিশের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
আপনার জেলার সংবাদ পড়তে