তানোরে তুলার গুদামে আগুন, ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মো: ইমরান হোসাইন; তানোর, রাজশাহী | প্রকাশ: ৯ মার্চ, ২০২৬, ০৫:৩৩ পিএম
তানোরে তুলার গুদামে আগুন, ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
রাজশাহীর তানোরে ধানের চাতালে অবস্থিত তুলার গুদামে আগুন লেগে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তানোর পৌর এলাকার চাঁদপুর মহল্লার বাসিন্দা আব্দুল গনি মিয়ার ধানের চাতালের ভিতরে তুলার গুদামে আগুন ধরে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস অফিসের কর্মী ও স্থানীয়দের ঘন্টাব্যাপি প্রচেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। তবে, তার আগেই তুলার গুদাম পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অবশ্য গুদামে শ্রমিকরা কাজ করলেও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। প্রত্যক্ষদশীরা জানান, সোমবার সকাল থেকে তুলার গুদামে ফ্যান চালিয়ে কাজ করে আসছিলেন শ্রমিকরা। এসময় চলন্ত ফ্যানের নাট বলটু খুলে সংঘর্ষ বাঁধে। গরম ওই নাট বলটু ছিটকে তুলার ভিতরে পড়ে আগুনের সৃষ্টি হয়। এক শ্রমিক আগুন নেভাতে লাঠির আঘাত করে। ফলে তুলায় আগুনের লেলিহান শিখা দাও দাও করে জ্বলে উঠে। শ্রমিকরা চিৎকার দেয়া শুরু করেন। মূহুর্তের মধ্যে পুরো গুদাম জ্বলে উঠে। সরেজমিনে দেখা যায়, তানোর পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত চাঁদপুর মোড়ের উত্তরে আব্দুল গনি মিয়ার চাতাল। ওই চাতালের কিছু অংশ ভাড়া নিয়ে টিন দিয়ে ঘিরে তুলা তৈরির গুদাম করেছেন আলমগীর হোসেন। তার দেশের বাড়ি মাদারীপর জেলায়। চাতালের দক্ষিণ দিকে আমশো মুন্নাপাড়া যাওয়ার রাস্তা। আর উত্তরে মদনার বাঁশঝাড় ও ইস্হাক প্রফেসারে স্যানেটেশন কারখানা। আলমগীর জানান, তার তুলার গুদামে আগুনে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে তিনি নিঃশ্ব হয়ে পড়েছেন। তানোর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুর রবের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি শহরে আছি। এরআগেও কয়েকবার আগুনের বিষয়ে তথ্য চাইলে তিনি বলেন শহরে আছি। সাব স্টেশন অফিসার রফিকুলের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। সাব স্টেশন অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, তুলার গুদামের মেশিন বা ফ্যানের নাট বলটু ছিটকে পড়ে হয়তো আগুনের সুত্র পাত হতে পারে। এব্যাপারে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ বলেন, আগুন লাগার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। সেটি তুলার গুদাম ছিল। গুদামের ভির থেকেই আগুনের সুত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে। 
আপনার জেলার সংবাদ পড়তে