আমতলীতে

তালগাছের রস সংগ্রহ নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা

এফএনএস (মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান; আমতলী, বরগুনা) : | প্রকাশ: ১৩ মার্চ, ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম
তালগাছের রস সংগ্রহ নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা

আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নে একটি বিরোধীয় জমির তালগাছ থেকে রস সংগ্রহ নিয়ে বিরোধের জের ধরে আতাহার হাওলাদার (৭০) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার  বিকেলে আমতলী উপজেলার চলাভাঙ্গা গ্রামে। নিহত আতাহার হাওলাদার ওই গ্রামের মৃত মুনসুর হাওলাদারের ছেলে। জানা গেছে, চলাভাঙ্গা গ্রামে সাইদুল মৃধা ও আতাহার হাওলাদার একই গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রতিবেশী। তাদের বাড়ির পাশের একখন্ড জমি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছে। বিরোধীয় ওই জমির  উপর একটি তাল গাছ রয়েছে। গাছটির দখল নিয়ে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার রস সংগ্রহের জন্য আতাহার হাওলাদার গাছটি প্রস্তুত করেন। বিকেলে এ নিয়ে আতাহার হাওলাদার  ও সাইদুল মৃধার মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়।  একপর্যায়ে সাইদুল, তাঁর স্ত্রী আসমা ও মেয়ে জান্নাতি মিলে বৃদ্ধ আতাহার হাওলাদারকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। জখমের এক পর্যায়ে আতাহার হাওলাদার  জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন। এসময় ছেলে আলানুর এবং প্রতিবেশীরা  উদ্ধার করতে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে আহত করে সাইদুল মৃধা ও তার লোকজন। অজ্ঞান অবস্থায় স্বজনরা আতাহার হাওলাদারকে উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে আসলে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মহুয়া আক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মহুয়া আক্তার বলেন, নিহত আতার হাওলাদারের শরীওে এখাধিক লাঠির আঘাতের জখম রয়েছে। এ ঘটনার পরপরই সাইদুল মৃধা ও তাঁর পরিবারের লোকজন পালিয়ে জায়। রাতে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।  শুক্রবার সকালে আতাহার হাওলাদারের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহতের ছেলে আলানুর বলেন, আমার বাবাকে সাইদুল মৃধা, তাঁর স্ত্রী আসমা বেগম ও মেয়ে জান্নাতি পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি বাবাকে মারধরের হাত থেকে রক্ষার জন্য এগিয়ে গেলে আমাকে পিটিয়ে জখশ করে।  আমি এ হত্যাকা-ের সহিত জড়িত খুনিদেও ফাঁসি চাই। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নিহত আতাহার হাওলাদারের লাশ উদ্ধার করে বরগুনার মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে