জ্বালানিবাহী ১৬টি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে, আসছে আরও তিনটি

এফএনএস প্রতিবেদক: | প্রকাশ: ১৪ মার্চ, ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম
জ্বালানিবাহী ১৬টি জাহাজ পৌঁছেছে চট্টগ্রাম বন্দরে, আসছে আরও তিনটি

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে, মার্চের প্রথম ১২ দিনে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অন্যান্য পরিশোধিত জ্বালানিপণ্য নিয়ে ১৬টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আরও তিনটি জাহাজ বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে যখন বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, সেই মুহূর্তে এসব জ্বালানিবাহী জাহাজ দেশে আসছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়েই বিশ্বের তেল ও গ্যাস বাণিজ্যের একটি বড় অংশ সম্পন্ন হয়।

বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, মার্চের প্রথম ১০ দিনে কাতার থেকে তিনটি এলএনজিবাহী জাহাজ-‘আল জুর’, ‘আল জাসাসিয়া’ ও ‘লুসাইল’-প্রায় ৬২ হাজার টন করে এলএনজি নিয়ে খালাস সম্পন্ন করেছে।

১২ মার্চ চট্টগ্রামে পৌঁছানো ‘আল গালায়েল’ জাহাজ থেকে ২৬ হাজার ১৬৫ টন এলএনজি ভাসমান স্টোরেজ ও রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে খালাস করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, এলপিজিবাহী জাহাজের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ছিল। মালয়েশিয়া ও ওমান থেকে আসা জাহাজগুলো ইতিমধ্যেই মোট ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি খালাস করেছে। আরও কয়েকটি এলপিজি ট্যাংকারে খালাস প্রক্রিয়া চলছে, যা মার্চের মাঝামাঝি শেষ হবে।

এলএনজি ও এলপিজি ছাড়াও পরিশোধিত জ্বালানি, ফার্নেস অয়েল, গ্যাস অয়েল, ডিজেল, বেজ অয়েলসহ শিল্প খাতের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল বন্দরে এসেছে। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি এবং ৪ হাজার টন বেজ অয়েল দেশে এসেছে।

সম্প্রতি হরমুজ প্রণালির ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা জাহাজ চলাচল ও বিমা খরচকে প্রভাবিত করছে। তবে বন্দরের কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মাসে জাহাজ চলাচল এখনো স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত এবং গৃহস্থালির জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কা নেই।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে