কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ পৌরবাসী। ঘরে বাইরে কোথাও শান্তিতে একটু বাসার সুযোগ নেই। বাসা বাড়ি দোকান পাটে বসলেই ঘিরে ধরে মশা। পৌরসভা থেকে মশা নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয় গত ১মার্চ। উদ্বোধনেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে কার্যক্রম। দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হয়ে গেলেও এর বাস্তাবায়ন দৃষ্টিগোচর হয়নি। একদিকে মশার উপদ্রব অন্যদিকে পৌর কর্তৃপক্ষের এ তামাশা পৌরবাসীর মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। মশার উপদ্রব লাঘবের দাবী পৌরবাসীর। জানা যায়, প্রতি বছর স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় থেকে মশা নিধনের জন্য দুই থেকে তিন বার বরাদ্দ দেয়া হয়। এ সব বরাদ্ধের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে দেখা যায় না। চলতি অর্থ বছরেও মশা নিধনের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে দীর্ঘদিন পূর্বে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে তা এখনো বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াই শুরু হয়নি। বিগত বরাদ্ধের কিছু উচ্ছৃষ্ট থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু না করে মশা নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন বিষয়টিও রহস্যে ঘেরা। পৌর এলাকার চরিয়াকোনা নিবাসী কাশেস মিয়া জানান, আমরা নিয়মিত ট্যাক্স দেই তার ওপর সরকারি বরাদ্দ আসে। বরাদ্দের টাকা কোথায় কিভাবে খরচ হয় জানি না। আমরা নাগরিক সুবিধাও পাই না। সম্প্রতি মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখলাম মশা নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু কার্যক্রম চোখে পড়ে না। দ্রুত মশা নিধন কার্যক্রম চালু করার দাবী জানাই। প্রতি বছর কি পরিমান বরাদ্দ পাওয়া যায় জানতে চাইলে পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী মহিউদ্দিন পৌর প্রশাসকের অনুমতি ছাড়া বরাদ্দের পরিমান জানাতে অস্বীকার করেন। বরাদ্দ পাওয়ার পরও কার্যক্রমে ধীরগতির বিষয়ে জানতে চাইলে নানা রকম টালবাহানা করেন। কবে নাগাদ কার্যক্রম শুরু হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অন্তত মাস খানেক লাগবে। এ ব্যাপারে পৌর প্রশাসক ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা বলেন, যেহেতু মশার উপদ্রব বেশী তাই পৌর বাজেট থেকে সামান্য বরাদ্দ নিয়ে দ্রুত কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তাছাড়া স্থানীয় সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে মশা নিধনের কার্যক্রম যতদ্রুত করা যায় চেষ্টা করা হবে।