ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দা’য়ের কোপে নিহত হয়েছে সুমন মিয়া (৩০) নামের এক যুবক। বৃহস্পতিবার বিকেলে পারিবারিক কলহের জেরে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত সুমন ওই এলাকার মো. গোলাপ মিয়ার ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রানু আরা বেগমকে (৬৫) আটক করেছেন সরাইল থানা পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে সুমন মিয়ার পরিচিত এক এনজিও কর্মীর মোটরসাইকেল বাড়ির পাশের রাস্তায় পার্কিং করে রাখেন। এতে সুমনের চাচাত ভাই প্রবাসী আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী রোমানা বেগম ক্ষীপ্ত হলে তাদের দু’জনের মধ্যে বাক-বিতন্ডা হয়। দুপুরের দিকে সুমন আবার বাড়িতে ফিরলে রোমানা বেগম ফের গালমন্দ করতে থাকেন। ফলে তাদের মধ্যে আরেক দফা বাক-বিতন্ডার ঘটনা ঘটে। সুমনের চাচাত ভাবী রোমানা উত্তেজিত হয়ে সুমনের বুকে ও হাতে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে সুমন গুরূতর আহত হয়। তাকে আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সুমনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে ভাবী রোমানা বেগম। এ ঘটনায় ওই এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রোমানার শাশুড়ি রানু আরা বেগমকে আটক করেছেন। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। ময়না তদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রোমানার শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত ও মুল আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে।