সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের মজুদ ও বিক্রয় পরিস্থিতি তদারকিতে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (২৩ মার্চ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহেদ হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে অনিয়মের অভিযোগে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ঝাউডাঙ্গা ও মেসার্স হোসেন ফিলিং স্টেশনে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন। চাহিদার তুলনায় তেল কম থাকায় কর্তৃপক্ষ গ্রাহকপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার পেট্রোল সরবরাহ করছে। হোসেন ফিলিং স্টেশনে দুপুরের পর তেল সরবরাহ শুরু হলেও সরবরাহ নিয়ে অসন্তোষ দেখা গেছে গ্রাহকদের মধ্যে। পাম্প মালিকদের দাবি, বিশেষ করে অকটেনের সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। অভিযান চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পাম্পগুলোর রিজার্ভ ট্যাংক, সরবরাহ চালান এবং বিক্রয় ও মজুদ রেজিস্ট্রার যাচাই করেন। এ সময় জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও সরবরাহ ভাউচার প্রদর্শন করতে না পারায় এবং তথ্যে অসঙ্গতি থাকায় পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬ অনুযায়ী দুটি প্রতিষ্ঠানকে পৃথক মামলায় মোট ১২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহেদ হোসেন বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জনভোগান্তি সৃষ্টি করা যাবে না। তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং মজুদ নিয়ে কারসাজি রোধে জেলা প্রশাসনের এই তদারকি অব্যাহত থাকবে। পাম্প মালিকদের নিয়ম মেনে ব্যবসা করার পাশাপাশি সচেতন হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।