জঙ্গল খুটাখালী মৌজার বি,এস ৬৩ ও ১৩ নং খতিয়ানের সৃজিত বি,এস ১৩৪, ১৪৯ ও ১৫০ নং খতিয়ানের ৪০৪ দাগের আন্দর ৩ একর ও ৫১০ দাগের ৫.৫১ একর সহ মোট ১০.৫১ একর জমির রেকর্ডীয় মালিক মৌলানা মনিরুজ্জামান গং। তৎ মতে সরকারের সন সন খাজনাদি পরিশোধ এবং মনিরুজ্জামানের ওয়ারিশগণের নামে নামজারী জমাভাগ খতিয়ান চূড়ান্ত প্রচারিত আছে। উল্লেখিত বি, এস ৪০৪ নং দাগের আন্দর ৩ একর জমি মনিরুজ্জামান গংদের দখল ও খতিয়ানভুক্ত জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। বিরোধ মীমাংসায় গ্রাম আদালত, স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পসহ বিজ্ঞ আদালতেও দু'পক্ষের মামলা চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মহামান্য হাইকোর্টের একটি আদেশ প্রচারিত হয়েছে মনিরুজ্জামান গংদের পক্ষে। আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, চকরিয়া উপজেলা ভূমি অফিস কর্তৃক পরিমাপ পরবর্তী তদন্ত প্রতিবেদনে বিরোধীয় মোহাম্মদ ইলিয়াস গং অবৈধভাবে ভোগ দখলে আছে। মনিরুজ্জামান গঃয়ের অভিযোগ, বিরোধীয় জমিতে প্রতিপক্ষের কোন দখল- শামিত্ব নেই। লোভের বশবর্তী হয়ে তারা আমাদের পৈত্রিক ওয়ারিশী খরিদা জমি জোর দখলের অপচেষ্টা করছে। তারা বারবার আমাদেরকে নানা ধরনের হুমকি- ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত, কক্সবাজার এ এম, আর মামলা নম্বর ৯১২/২০১৯ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৪০ ধারার মামলা চলমান রয়েছে। এ মামলায় ১৪৪ ধারা জারি হয় এবং পরে আমাদের পক্ষে রায় ডিগ্রি হয়। কিন্তু তারা গায়ের জোরে উক্ত ডিগ্রীনামা মেনে নিচ্ছে না। তারা স্থানীয় শালিষ- বিচারেরও কোন তোয়াক্কা করছে না। মনিরুজ্জামান পক্ষের লোকজন আরো বলেন, গত ১৩ মার্চ উক্ত জমিতে আমরা চাষাবাদ করতে গেলে প্রতিপক্ষের ৫-৬ জন সন্ত্রাসী বাঁধা প্রদান করে। এবং আমাদের মারধর করতে উদ্যত হয়। তারা স্পষ্ট বলে যে, পৈতৃক ওয়ারিশী জমিতে আমাদেরকে চাষাবাদ করতে দেবে না। জমিতে গেলে খুন কুরে লাশ গুম করবে। এ বিষয়ে আমরা চকরিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ বরাবর অভিযোগও দাখিল করি। সম্প্রতি রাতের আঁধারে প্রতিপক্ষের লোকজন বিরোধীয় জমিতে বসতবাড়ি তৈরি করতে থাকে। অথচ তারা উক্ত জমির লাগিয়ত বাবদ দীর্ঘ বছর আমাদেরকে ধান এবং অন্যান্য ফসল পরিশোধ করে আসছে। ঘটনাস্থলে অনুষ্ঠিত গ্রাম্য সালিশে ঈদগড় ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার খোরশেদ, ঈদগাঁও ইউপির মহিলা মেম্বার কহিনুর আক্তার, ভোমরিয়া ঘোনা বনবিট কর্মকর্তা ফরহাদ এবং সার্ভেয়ার বদরু, বিরোধীয় পক্ষদয়ের প্রতিনিধি সহ স্থানীয় সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।