মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রসুলপুর বাজার সংলগ্ন খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে যান মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে তিনি খাদ্যগুদামটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় গুদামের সেডগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘খাদ্যগুদাম নিয়ে বিভিন্ন সময় আমরা নানা রকম নেতিবাচক কথা শুনি, তাই বাস্তব অবস্থা দেখতে আমি নিজে পরিদর্শনে আসলাম। খাদ্যসামগ্রী রক্ষণাবেক্ষণে কোনো সমস্যা আছে কি না অথবা মজুদ খাদ্যের পরিমাণ ঠিক আছে কি না তা যাচাই করা হয়েছে। গজারিয়া উপজেলার খাদ্যগুদামে বর্তমানে ৫টি সেড রয়েছে যার মধ্যে ৪টিতে খাদ্যসামগ্রী মজুদ আছে। সার্বিক পরিস্থিতি দেখে আমি সন্তুষ্ট; কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি।’ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান, মুন্সীগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক লিটন কুমার প্রামাণিক, গজারিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাজোয়ার রহমান, রসুলপুর এলএসডি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইসহাক আলী, গজারিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক একেএম গিয়াস উদ্দিন, মুন্সীগঞ্জ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম পিন্টু এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক মোল্লা প্রমুখ। জারিয়া উপজেলার খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রসুলপুর বাজার সংলগ্ন খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে যান মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে তিনি খাদ্যগুদামটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় গুদামের সেডগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘খাদ্যগুদাম নিয়ে বিভিন্ন সময় আমরা নানা রকম নেতিবাচক কথা শুনি, তাই বাস্তব অবস্থা দেখতে আমি নিজে পরিদর্শনে আসলাম। খাদ্যসামগ্রী রক্ষণাবেক্ষণে কোনো সমস্যা আছে কি না অথবা মজুদ খাদ্যের পরিমাণ ঠিক আছে কি না তা যাচাই করা হয়েছে। গজারিয়া উপজেলার খাদ্যগুদামে বর্তমানে ৫টি সেড রয়েছে যার মধ্যে ৪টিতে খাদ্যসামগ্রী মজুদ আছে। সার্বিক পরিস্থিতি দেখে আমি সন্তুষ্ট; কোথাও কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি।’ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান, মুন্সীগঞ্জ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক লিটন কুমার প্রামাণিক, গজারিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাজোয়ার রহমান, রসুলপুর এলএসডি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইসহাক আলী, গজারিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক একেএম গিয়াস উদ্দিন, মুন্সীগঞ্জ জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম পিন্টু এবং মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক মোল্লা প্রমুখ।