পাবনার চাটমোহরে মিথ্যে অভিযোগে মারপিটের শিকার হারুনুর রশিদ হারুন ও তার প্রবাসী ভাই আয়ুব আলী দোষিদের বিচার ও শান্তি চাইলেন। হারুন উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের মহরমখালি গ্রামের আরশেদ আলীর ছেলে। অভিযোগ গত ২৭ মার্চ বিকেলে হারুন ও তার ভাই আয়ুব আলীকে রেলবাজার এলাকা থেকে ধরে নিয়ে বেদম মারপিট করেন বিএনপি নেতা কাজী খোকনসহ তার লোকজন। আহত হারুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় প্রবাসী আয়ুব আলী চাটমোহর থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন। এই ঘটনার বিচার ও দোষিদের শাস্তির দাবিতে হারুনর রশিদ গত মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় মহরমখালি গ্রামে নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে হারুনর রশিদ দাবি করেন,বিএনপি নেতা কাজী খোকন আমার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য ব্যবসার যে অভিযোগ করেছেন,তার কোন প্রকার ভিত্তি নেই,সম্পূর্ণ মিথ্যে। এটা সাজানো একটি নাটক। কাজী খোকন মাদকসেবী ডলার নামের যে ব্যক্তিকে মিথ্যে সাক্ষী বানিয়ে আমার বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ানো হয়েছে,সোই ডলারকে আমি চিনি না,তার সাথে কোন দিন চা পর্যন্ত খাইনি। হারুন বলেন,ডলার আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা পাবে-এই নাটক সাজানো হয়েছে। ডলার কেন কেউই আমার কাছে কোন টাকা পাবেনা। কাজী খোকন রুবেল ও ডলারকে আমার কাছে পাঠায় ৫০ হাজার টাকার জন্য। কিসের টাকা,কেন টাকা দেবো জানতে চাইলে,তারা বলে টাকা দিতে হবে। আমাকে দেখা করতে বলেন কাজী খোকন। কিন্তু আমি না যাওয়ায় গত ২৭ মার্চ আমাকে ও আমার ভাই আয়ুবকে ধরে নিয়ে কাজী খোকন তার অফিসে বেদম মারপিডট করেন। হারুন বলেন,আমি ইয়াবা বা কোন ধরণের মাদকের ব্যবসা করি-এটা যদি কেই প্রমাণ করতে পারেন,তাহলে আমি আত্মহত্যা করবো। যে বিচার ও শাস্তি হয় তা মেনে নেবা। সংবাদ সম্মেলনে হারুন ও তার ভাই আয়ুব দোষি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও শাস্তির দাবি জানান। এ বিষয়ে বিএনপি নেতা কাজী খোকন হারুনকে মারার বিষয়টি স্বীকার বকরে বলেন,হারুন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী। সে আমাকে চাঁদাবাজ বলেছে,তাই ডেকে এনে সাবধান করেছি। আমার বিরুদ্ধে হারুন ও তার ভাই মিথ্যে অভিযোগ করেছে।