বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নাম করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সরকারি অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন এবং সপ্তাহে তিন দিন হোম অফিস চালুর চিঠিটি সম্পূর্ণ ভুয়া বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ০৫.০০.০০০০.১১০.২২.০৪৫.২৬.১২০ নম্বর স্মারক নামে একটি পত্র সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে দাবি করা হয়েছিল, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সপ্তাহে মাত্র তিন দিন অফিসে উপস্থিত থাকবেন। তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো চিঠি বা নির্দেশনা তারা কখনো জারি করেনি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মনে করিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা সব সময় সরকারি গেজেট বা স্বীকৃত গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মানসুর হোসেন বলেন, “সাধারণ জনগণ ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুরোধ করছি, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কোনো অপ্রমাণিত তথ্যের কারণে বিভ্রান্ত হবেন না।”
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, এই ভুয়া চিঠি ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য সম্ভবত জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টিই। মন্ত্রণালয় জানিয়েছেন, এই ধরনের গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে সরকারি অফিসের সময়সূচি এবং কার্যপ্রণালী আগের মতোই অপরিবর্তিত আছে।
এর আগে, মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকার কিছু সম্ভাব্য ব্যবস্থা বিবেচনা করছে, যেমন সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধি, অফিসের সময় পরিবর্তন এবং সপ্তাহে দুই দিন হোম অফিস। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।