কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৪ ঘণ্টা স্থায়ী এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে পৌর শহরের ঘোড়াকান্দা বালুর মাঠে ফুটবল খেলছিল স্থানীয় যুবকরা। খেলা চলাকালীন মসজিদ বাড়ির যুবকদের সাথে পলাশ সিনেমা হল মোড় এলাকার যুবকদের কথা কাটাকাটি হয়। তর্কের একপর্যায়ে বিকেল ৫টার দিকে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রথম দফায় প্রায় দুই ঘণ্টা চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ। প্রথম দফা সংঘাতের রেশ কাটতে না কাটতেই রাত সাড়ে ৭টায় আবারও দেশীয় অস্ত্র ও ইট-পাটকেল নিয়ে মাঠে নামে দুই পক্ষ। এ সময় অন্ধকারে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে চলে ভয়াবহ তাণ্ডব। সংঘর্ষ চলাকালীন একটি মসজিদ ও বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। দুই দফায় মোট ৪ ঘণ্টার এই সহিংসতা রাত ১০ টা পর্যন্ত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে ভৈরব থানার (ওসি) আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।