নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় খালিশা চাপানী ইউনিয়নে ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে পাঁচ ঘণ্টা আটক রেখে পালাক্রমে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ধর্ষনকারী দুই যুবককে আসামী করে ডিমলা থানায় ধর্ষন মামলা রন (মামলা নং-৫, তারিখ ০৬-০৪-২৬)দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরনে জানাযায়, উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের ১৫ বছর বয়সী ওই ছাত্রী দীর্ঘদিন ধরে নানার বাড়িতে থেকে ওই এলাকার একটি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিলেন। রোববার সকালে তার মা মাহবুবা বেগমকে নিয়ে নানী সেরিনা বেগম ডাক্তার দেখাতে রংপুর যান। বাড়িতে তখন ভুক্তভোগী(১৫) ও তার ছোট বোন (১৩) একা থাকার সুযোগে। একই গ্রামের রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা (২১) ও বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পয্যন্ত ভুক্তভোগীকে পার্শ্ববর্তী ভুট্টা ক্ষেতে তুলে নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সন্ধ্যা পেড়িয়ে গেলেও ভুক্তভোগী বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে ভিকটিমকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় ভুট্রা ক্ষেত থেকে উদ্ধার করে বাড়ীতে নিয়ে যায়। রাতে তার নানী সেরিনা বেগম বাড়িতে ফিরে ঘটনার বিষয় জানতে পেরে রাতেই ভিকটিমকে ডিমলা থানায় নিয়ে এসে ধর্ষক দজনের নামে ডিমলা থানার মামলা নং নং-৫, তারিখ ০৬-০৪-২৬ দায়ের করেন।
ডিমলা থানার (ওসি) মোঃ শওকত আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভিকটিমের জবানবন্দি গ্রহণ এবং ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতাওে থানা পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।