মুন্সিগঞ্জের ৩ জন গনমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমুলক মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় দিকে হলদিয়া বাজারে অবস্থিত বিক্রমপুর প্রেসক্লাবের সামনে লৌহজং সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দৈনিক নিরপেক্ষ পত্রিকার ও দৈনিক সভ্যতার আলো পত্রিকার লৌহজং প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম সুরুজ পেশাগত দায়িত্ব পালনে সম্প্রতি সাতঘড়িয়া গ্রামে জনতার হাতে আটককৃত ২ জন চোরের ভিডিও ও সংবাদ সংগ্রহে যান। রাতেই গণপিটুনিতে ওই দুই চোর মারাত্মক আহত হয়। সুরুজ সকাল ৯টায় সেখানে উপস্থিত হয়ে ভিডিও সংগ্রহ করেন। পরে ওই দুই চোর মারা গেলে সাংবাদিক সুরুজকে ওই নিহত ২ চোরের হত্যা মামলায় ৬ নম্বর আসামী করা হয়। একটি অসাধু চক্র যারা বিভিন্ন সময়ে সুরুজের নিউজের দ্বারা মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্মের কথা ফাঁস হয়ে যায়, তারাই তাকে এই হত্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে বলে মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারী সাংবাদিকরা দাবী করেন। এদিকে মুন্সিগঞ্জের এনটিভি প্রতিনিধি ও স্থানীয় দৈনিক মুন্সীগঞ্জর সময় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মইনুদ্দিন আহম্মেদ সুমন ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিনিধি প্রত্রিকার মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি আবু সাঈদ দেওয়ান সৌরভ-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করায় মানবববন্ধন থেকে এই মামলা প্রত্যাহারের দাবী ও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। মুন্সিগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ষ্টেনোগ্রাফার মিজানুর রহানের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহনের ভিডিওসহ সংবাদ প্রকাশ করলে মিজানুর রহমান তাদের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এসকল মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমুলক মামলা প্রত্যাহার ও সাংবাদিকদের এভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি না করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, বিক্রমপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মাসুদ খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাইদুর রহমান টুটুল, লৌহজং প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান ঝিলু, লৌহজং উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু নাসের খান লিমন, লৌহজং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মানিক মিয়া, উপজেলা প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম রাকিব, বিক্রমপুর প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক কাজী আরিফ, সাংবাদিক সোহেল রানা, মো. স্বপন, মো. জাহিদ হাসান, মো. সুবিন, আবু বক্কর সিদ্দিক, আব্দুর রাজ্জাক হোসেন সুমন, শেখ মো. রাকিব, শেখ মো. কাওছার, নবীন হোসেন ও পিংকি রহমান প্রমূখ। এছাড়া সাংবাদিক সুরুজের স্ত্রী ছাড়াও কিছু সংখ্যক এলাকাবসী মানবন্ধনে অংশ গ্রহন করেন।