বাঘায় বাড়ি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

এফএনএস (আমানুল হক আমান; বাঘা, রাজশাহী) : | প্রকাশ: ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
বাঘায় বাড়ি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

রাজশাহীর বাঘায় ৭০ বছর ধরে বসবাস করা বাড়ি দখলের চেষ্টা এবং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের মহদিপুর গ্রামের ভুক্তভুগি শরিফুল ইসলাম তার নিজ বাড়িতে এই সংবাদ সম্মেলন করেন।  শরিফুল ইসলাম লিখিত বক্তব্যে বলেন, বিক্রেতার কতিপয় ওয়ারিশরা অহেতুক আমার পরিবারের সাথে বিরোধে জড়ায়ে হামলা-মামলা দায়েরসহ সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে হেও পতিপন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পূর্ব পুরুষের ক্রয়কৃত জমির প্রাপ্যতা ও ন্যায় বিচার দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের মহদিপুর গ্রামের জহির উদ্দীনের কাছ থেকে ৪৭ শতাংশ জমি দলিল মূলে ক্রয় করেন শরিফুল ইসলামের দাদা মনির মন্ডল। তার মৃত্যুর পর সেই জমি ওয়ারিশসুত্রে প্রাপ্ত হয়ে পাঁকা ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন মনির মন্ডলের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য শামসুল হক। শামসুল হকের মৃত্যুর পর তার দুই ছেলে  ও দুই মেয়ে এবং স্ত্রী বসবাস করছেন।  শামসুল হকের ছেলে শরিফুল ইসলাম বলেন, চাকরির সুবাদে আমারা চার ভাই বোন অধিকাংশ সময়ে বাইরে থাকতে হয়। 

২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর  আমরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে মিনারা বেগম, চুমকি, মেমজান বেগম, নেহেরা বেগম, শফিকুল ইসলাম শফি, আলম, মশিকুল, পলাশ, নেক আলম, সরভানু, রেহেনা, শাপলা, ইমরান আলী বাড়িতে প্রবেশ করে ঘরের তালা ভেঙ্গে মালামাল হাতিয়া নেই। পরবর্তী সময়ে আইনের সহায়তায় ঘর বাড়িতে উঠে পূর্বের ন্যায় বসবাস করেন। ২৭ মার্চ পূর্বের জের ধরে মিনারা বেগম, রেহেনা বেগম, সরবানু ও শফিকুল ইসলাম আবারো বাড়িতে প্রবেশ করে অবৈধভাবে দখল নেওয়ার চেষ্টা করে।  এসময় আমি ও আমার পরিবার সহ প্রতিবেশী লোকজন তাদের প্রতিরোধ করি। সংবাদ সম্মেলনে মরহুম শামসুল হকের ছেলে শরিফুল ইসলাম তার মা শাহাজাদী বেগম, বোন জেরিনা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন। স্থানীয় সমাজ প্রধান বাবুল ইসলাম ও শিক্ষক শাহ আলম খোকন বলেন, শামসুল হকের ওয়ারিশদের দখলে রয়েছে। হঠাৎ করে জমি বিক্রেতা জহির উদ্দীনের কিছু ওয়ারিশ এই জমি দাবি করে ঘর বাড়িতে হামলায় বাঁধা দেওয়ায় একের পর এক মামলায় দিয়ে যাচ্ছেন। তবে শামসুল হকের পিতা মনির মন্ডল জমি ক্রয়ের পর খারিজ করে নাই।  এসব বিষয় নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। তবে জমি কেনার মধ্যে কোন ভেজাল নেই। বিক্রেতার ওয়ারিশদের দাবি সঠিক না।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে