কলাপাড়ায় শিক্ষকের মারধরে ছাত্রী অজ্ঞান, হাসপাতালে ভর্তি

এফএনএস (মিলন কর্মকার রাজু; কলাপাড়া, পটুয়াখালী) : | প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
কলাপাড়ায় শিক্ষকের মারধরে ছাত্রী অজ্ঞান, হাসপাতালে ভর্তি

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শিক্ষকের মারধরে শ্রেণীকক্ষে অজ্ঞান হয়ে পড়েছে অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রী। তাকে সঙ্গাহীন অবস্থায় কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলার পাখিমারা প্রফুল্ল ভৌমিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে।  তবে শিক্ষকের দাবি, তিনি মাথায় বাম হাত দিয়ে কয়েকটি থাপ্পড় মেরেছেন । বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী রুমানা আক্তার কে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করে তার মা ও স্বজনরা। এ সময় শিক্ষার্থী ছিলো সঙ্গাহীন। প্রায় আধাঘন্টা  অক্সিজেন দেয়ার পরে শিক্ষার্থীর হয়। আহত শিক্ষার্থী রমানা বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাংলা ক্লাস চলাকালে শিক্ষক অর্পণ হাওলাদার তাদের চারটি প্রশ্ন লিখতে দেয়। এসময় সে একটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর লিখতে না পারায় অন্য শিক্ষার্থীদের বেত দিয়ে হাতের তালুতে পিটান দিলেও তাকে বাম হাত দিয়ে মাথায় কয়েকটি থাপ্পড় দেয়। এরপরই সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। 

আর শিক্ষার্থীর মা মোসাঃ কুলসুম  জানায় স্কুল থেকে অন্য এক শিক্ষক ফোন করে জানায় মেয়ের অসুস্থতার কথা। এরপর তারা স্কুলে গিয়ে তাকে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তখন তাদের সহায়তায় কোন শিক্ষকরাও এগিয়ে আসেনি। তবে এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত  প্রধান শিক্ষক মিলন চন্দ্র মুঠোফোনে বলেন, শ্রেণিকক্ষে কোন মারধরের ঘটনা ঘটেছে কিনা এই বিষয়টি তিনি জানতেন না। শিক্ষার্থীর পরিবার তাকে ফোন করে জানিয়েছেন। তাৎক্ষণিক ওই শিক্ষককে ডেকেছেন। তবে সে মারধরের কথা অস্বীকার করে। আর অভিযুক্ত শ্রেণি শিক্ষক অর্পণ হাওলাদার বলেন, তিনি বাম হাত দিয়ে মাথায় দুই একটি আস্তে থাপ্পর দিয়েছেন।  তখন সে অসুস্থ হয়নি। তবে জোরে মারধরের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেননি। কলাপাড়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. চন্দন দাস বলেন, ওই ছাত্রীকে যখন আনা হয়েছে তার জ্ঞান ছিলোনা। অক্সিজেন দেয়ার পর এখন কিছুটা সুস্থ। এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. মনিরুজ্জামান খান বলেন, ক্লাসে কোন শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে আহত করার বিধান নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে  প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে