দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি বাজার কেসিআই ইনস্টিটিউট সংলগ্ন স্বর্ণকারকে দেশি অস্ত্রের মুখে জিম্মী করে সোনা, রুপা ও নগদ টাকাসহ একটি ব্যাগ ছিনতাই করে অবাধে পালিয়ে যায় এলাকার চিহ্নিত সশস্ত্র সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত পৌণে ১০ টায় কেসিআই ইনস্টিটিউট সংলগ্ন মেসার্স গৌরঙ্গ জুয়েলার্সের দোকানের স্বত্ত্বাধিকারী উত্তম কর্মকার দোকন বন্ধ করে একটা ব্যাগে করে ১ভরি দুই আনা ওজনের স্বর্ণ, ৪৫ ভরি রোপা ও নগদ ৩৮ হাজার টাকা একটা ব্যাগে নিয়ে ক্লাবের উত্তর পাশের পাকা সরু রাস্তা দিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। তিনি দিপক মদকের বাড়ির ভাড়াটিয়া। তিনি ডুমুরিয়া উপজেলার পাপুড়িয়া গ্রামের মৃত নিরঞ্জন কর্মকারের পুত্র। তিনি এই বাজারে দুই বছর ধরে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। তিনি গেট খুলে বাসায় ঢ়ুকার প্রাক্কালে রাস্তার পাশে ওঁৎ পেতে থাকা ৫ জনের এক সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্রের একজন তাকে ঝাপটে ধরে এবং একজন তার ব্যাগ ধরে টানাটানি করে। ব্যাগ না ছাড়ার এক পর্যায়ে তাকে চাপাতি দিয়ে কুপাতে চায়। ভয়ে উত্তম কর্মকার মালামালসহ ব্যাগ ছেড়ে দিলে ছিনতাইকারি চক্র ব্যাগ নিয়ে বাগানের মধ্য দিয়ে পালিয়ে যায়। লোকজন হৈ চৈ শুনে দৌড়ে এসে তাদের খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পায়নি। পরে তারা দিঘলিয়া থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে সেনহাটি ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী জিয়াউর রহমান খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছেন এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন। গৌরঙ্গ জুয়েলার্সের স্বত্ত্বাধিকারী উত্তর কর্মকার এ প্রতিবেদককে বলেন, "আমি এ সঙ্ঘবদ্ধ চক্রকে শণাক্ত করে গ্রেফতার ও তার ছিনতাই হওয়া নগদ টাকাসহ সোনা ও রুপা উদ্ধার করাসহ অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই।" উত্তম কর্মকার দিঘলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। দিঘলিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম এ প্রতিবেদককে জানান, এলাকায় পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত সকলকে শণাক্ত করে গ্রেফতার ও ছিনতাইকৃত অর্থ ও মালামাল উদ্ধার করা হবে।