রাউজানে বাড়ি ফেরার পথে যুবককে গুলি করে হত্যা

এফএনএস (তৈয়ব চৌধুরী; রাউজান, চট্টগ্রাম) : | প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২০ পিএম
রাউজানে বাড়ি ফেরার পথে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে নানার বাড়ির খামারে সামাজিক অনুষ্ঠান শেষে শনিবার ভোড় ৩টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির অর্ধ কিলোমিটার আগেই সড়কে দুবৃত্তের গুলিতে নিহত হয়েছেন  নিহত হয়েছেন কামরুজ্জামান বাবলু নামের ৩৫ বছরের এক যুবক।   তিনি রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ঢালার মুখ এলাকার আবুল নঈম সওদাগর বাড়ির আবুল কালাম সওদাঘরের ছেলে। জানা যায়, নিহত মোহাম্মদ কাউসারুজ্জামান বাবলুর শুক্রবার রাতে তার বাড়ির অদূতে নানার বাড়ির খামারে দাওয়াত খেতে যায়। এতে শনিবার ভোড়ে সেখান থেকে বন্ধু বান্ধবসহ কয়েক সাথে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জঙ্গল রাউজান আলীখিল ডিএনও ব্রিক ফিল্ডের পাশে সড়কের উপর তাকে দুবৃত্তরা গুলি ছোর তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে মুমুর্ষ অব-’ায় উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। নিহতের বাবা আবুল কালাম সওদাগর বলেন, বাবলু দিনমজুরের কাজ করলেও। এলাকায় অন্যায়, চাদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বেশ সোচ্ছার ও প্রতীবাদী ছিলেন। যার দরুন এলাকার বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসী তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল। যার কারনে আজ আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে মামলু করার প্র-‘তি নিচ্ছে বলেও জানান। রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, ধারনা করা হচ্ছে তিনি আইনশৃংখলা বাহিনীর সোর্স মনে করে এলাকার একটি গ্রুপ তার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত ছিল। যারা এই ঘটনা ঘটাতে পারে। তবে ঘটনা-’লে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।   

উল্লেখ্য,  চট্টগ্রামের রাউজানে একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটছে। কখনো প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে, কখনো ছুরিকাঘাত বা পিটিয়ে খুন করা হচ্ছে। এসব ঘটনায় অ-্ত্রধারী কিংবা মূল আসামিরা ধরা পড়ছে না। উদ্ধার হয়নি ঘটনায় ব্যবহৃত কোনো অ-্ত্রও। ফলে থামছে না খুনোখুনি। শেষ হয়নি এসব ঘটনায় হওয়া একটি মামলারও তদন্ত। গত বছরের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক সহিংসতায় মোট ২১টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১৩টি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। সর্বশেষ শনিবার কামরুজ্জাম বাবলুকে গুলি করে খুন করা হয়। এর আগে  ২৫ ফ্রেবুয়ারি রাউজানের অলিমিয়াহাট বাজারে খুন হন বিএনপি কর্মী আবদুল মজিদ। এর মধ্যে ১৫টি রাজনৈতিক-সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হচ্ছে। এ সময়ে শতাধিক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন সাড়ে তিন শতাধিক মানুষ।