শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ শনিবার সচিবালয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলি সংক্রান্ত নীতিমালা নিয়ে বৈঠক শেষে জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা এগিয়ে চলতি বছরের ডিসেম্বরে নেওয়া হতে পারে হবে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষাও এগিয়ে আনা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, “গত বছর জুনের শেষে শুরু হয়েছিল এইচএসসি পরীক্ষা। রেজাল্ট হয়েছিল অক্টোবরের মাঝামাঝি। তাদের ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে। ম্যাটার অব ফ্যাক্ট, আজকে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্ডারে অনার্স অ্যাডমিশনের পরীক্ষাগুলো হচ্ছে। প্রত্যেকটা ছাত্রছাত্রীর শুধু অ্যাডমিশন টেস্ট বা ভর্তি হওয়া নিয়ে এক বছরের মত অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে এবং সেশন জট ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।”
‘আমরা চাই সিলেবাস বা কারিকুলাম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হয়। তার পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্টগুলো হয়ে যায়। আমরা চাচ্ছি না, ওই একটি বিরতি নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটুক। এটা আমরা সমন্বয় করার জন্য কাজ করছি। ডিটেইলস পরে জানানো হবে’-উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা চাই দুই বছরের লেখাপড়া দুই বছরেই শেষ হতে হবে এবং এখানে যেন কোনো সেশন জট না হয়। সেভাবে আমরা সবকিছু অ্যাডজাস্ট করার চেষ্টা করছি। তাদের জীবন থেকে এক বছর, দুই বছর যেন ঝরে না পড়ে।
‘আমরা ধরে নিচ্ছি, ডিসেম্বর পরীক্ষার মাস। এর মধ্যেই আমাদের সিলেবাস শেষ করার টার্গেট রয়েছে এবং তারপর পরপরই যেন অ্যাডমিশন টেস্ট হয়। অর্থাৎ কোনো বিরতি যেন না থাকে এবং তাদের যেন কোচিং সেন্টারে যাওয়া না লাগে। পরীক্ষা শেষে রেজাল্ট, নেক্সট অ্যাডমিশন। এই সমন্বয়টা ইউনিভার্সিটিগুলোর সঙ্গেও আমাদের করতে হবে। আমরা সেই জায়গায় যাচ্ছি’-যোগ করেন শিক্ষামন্ত্রী।