শিরোপার খুব কাছাকাছি চলে গেছে বায়ার্ন মিউনিখ। প্রথমার্ধে ৩ গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে মেইনজের বিপক্ষে ৪-৩ গোলে জিতে বুন্দেসলিগার শিরোপা অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলেছে বায়ার্ন মিউনিখ। এখন লক্ষ্য পয়েন্ট ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়া। মেইনজের মাঠে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি বায়ার্নের। প্রথমার্ধেই তিন গোল হজম করে বড় চাপে পড়ে যায় দলটি। তবে বিরতির পর অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৪-৩ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। বল দখলে এগিয়ে থাকার পরও স্বাগতিকদের আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে বায়ার্ন। ৮ পরিবর্তন নিয়ে একাদশ সাজিয়ে পারফরম্যান্সেও ভাটা পড়ে। প্রথমার্ধে লক্ষ্যে কোনো শটই নিতে পারেনি দলটি। অন্যদিকে, প্রথমার্ধে দাপট দেখিয়ে ৩ গোল করার পরও মেইনজ সেই লিড ধরে রাখতে ব্যর্থ হয় দ্বিতীয়ার্ধে। তাদের হয়ে গোল করেন ডমিনিক কোহর, পল নেবেল ও শেরাল্ডো বেকের। বিরতির পর বায়ার্নের ঘুরে দাঁড়ানোয় মুখ্য ভূমিকা রাখেন নিকোলাস জ্যাকসন, মাইকেল ওলিসে, জামাল মুসিয়ালা এবং হ্যারি কেইন। প্রথমার্ধের ১৫ মিনিটে কোহর গোল করলে ম্যাচে প্রথবার এগিয়ে যায় মেইনজ। দ্বিতীয় গোল আসে ২৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান নেবেল। অতিরিক্ত সময়ে বেকের গোলে দিশেহারা হয়ে পড়ে বায়ার্ন। দ্বিতীয়ার্ধে বায়ার্নের আক্রমণে গতি আসে হ্যারি কেইন ও মাইকেল ওলিসেকে মাঠে নামানোর পর। ৫৩ মিনিটে জ্যাকসন গোল করে ব্যবধান কমান। এরপর ৭৩ মিনিটে ওলিসে এবং ৮১ মিনিটে মুসিয়ালার গোল ম্যাচে সমতা ফেরায়। আর ৮৩ মিনিটে জয়সূচক গোল করেন হ্যারি কেইন। চলতি মৌসুমে এটি তার ৩৩তম গোল। তার করা সেই গোলের মেইনজের মাঠ থেকে অবিশ্বাস্য এক জয় নিয়ে ফিরেছে বায়ার্ন। এই জয়ের ফলে বায়ার্ন মিউনিখ পয়েন্ট টেবিলে তাদের লিড বাড়িয়ে ১৮ পয়েন্টে নিয়েছে। ৩১ ম্যাচে ২৬ জয় ও ৪ ড্রয়ে তাদের মোট সংগ্রহ এখন ৮২ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। অন্যদিকে মেইনজ ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে দশম অবস্থানে আছে।