পিরোজপুরে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন, মায়ের ৭ বছর জেল

এফএনএস (মোঃ রেজাউল ইসলাম শামীম; পিরোজপুর) : | প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:১১ পিএম
পিরোজপুরে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন, মায়ের ৭ বছর জেল

হত্যা ও লাশ গুম করার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন ও মায়ের ৭ বছর কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন পিরোজপুরের এক আদালত। দন্ড প্রাপ্তরা হলো জেলার নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী মোসাঃ রেহানা বেগম ও ছেলে মোঃ তাজিম।  হত্যার দায়ে ছেলে তাজিমকে যাজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড এবং লাশ গুম করার দায়ে মা রেহানাকে ৭ বছর কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টায় পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোঃ মজিবুর রহমান ওই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় রেহানা উপস্থিত থাকলেও তার ছেলে তাজিম পলাতক রয়েছে।  আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী বিকেলে উপজেলার বয়ারহুলা মোটরসাইকেল ষ্ট্যান্ড থেকে তাজিম ও এক যুবক ভিকটিম মিলনসহ তার মোটরসাইকেল ভাড়া নেয়। মিলন ওই দিন রাতেও বাড়ি না ফেরায় মিলনকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে তার পরিবার। এ সময় তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ থাকে। ১২ ফেব্রুয়ারী নেছারাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন নিহত মিলনের বাবা শাহাদত বাহাদুর। এর দ’ুদিনপর তাজিমদের বাড়ির ল্যাট্রিনের সেফটিক ট্যাংকের মধ্য থেকে মিলনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। মিলনকে হত্যার পর তাজিম তার মায়ের সহযোগিতায় লাশ করেছিল।  এ ঘটনায় নিহতের বাবা শাহাদাত ৫ জনকে আসামী করে নেছারাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত করে ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সাক্ষ্য প্রমানে দু’জনকে আদালত ওই সাজা দেন এবং অন্য দু’জনকে খালাস দেন। মামলায় আসামী রাষ্ট্র পক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আকন ও আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল কবির বাদল।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে