বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী
অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) প্রকল্পের আওতায় গাজীপুরের কাপাসিয়ায় খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের "ঘাটকুড়ি ব্রিজ হতে পুটান অভিমুখী নলি খাল" পর্যন্ত ৭৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১.৩৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী'র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় এ খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নূরুল করিম ভূঁইয়া।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ডাঃ তামান্না তাসনীম।
বিআরডিবি কর্মকর্তা দিলারা আক্তার মনি ফকিরের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ও এলএ) মোঃ সোহেল রানা। এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা দুর্যোগ ও ত্রাণ কর্মকর্তা মোঃ আওলাদ হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ নাহিদুল হক, জেলা বিএনপি নেতা আব্দুল করিম বেপারী, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ও কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য মাওলানা শেফাউল হক, চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল মাহমুদ খান, বিএনপি নেতা ও বিআরডিবি চেয়ারম্যান সেলিম হোসেন আরজু, দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সোলায়মান মোল্লা, চাঁদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মোড়ল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোলায়মান মোড়ল, চাঁদপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির এস এম সোলাইমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বর্তমান বিএনপি সরকার আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যা কৃষিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করবে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুর থেকে দেশব্যাপী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। মূলত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির আদলে এটি একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ।
খাল খনন কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়ানো, ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমানো, খরা ও বন্যা ব্যবস্থাপনা এবং জলাবদ্ধতা দূর করা।
সারাদেশে খাল ও নদী পুনঃখনন, যা বর্তমানে ৫৪টি জেলায় পর্যায়ক্রমে শুরু হয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করবে, গ্রামীণ অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করবে।
এই উদ্যোগের আওতায় স্থানীয় কৃষি ও পরিবেশগত উন্নয়নের লক্ষ্যে জবরদখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করে পুনরায় সচল করার পরিকল্পনা রয়েছে।