মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান আজ শনিবার টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় বিভিন্ন সহায়তা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বললেন, “আওয়ামী লীগের শেষ ১০ বছরে অফিসিয়ালি-আনঅফিসিয়ালি কমপক্ষে ৫০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতা ছেড়ে চলে যায়, তখন সরকারের কোষাগার ছিলো সম্পূর্ণ শূন্য। পরবর্তী সময়ে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ১৮ মাস একেবারেই দারিদ্রের মতো সরকার চালিয়ে গেছেন। আমরা যখন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছি, তখন সরকারের কোনো পর্যায়েই ‘কিছুই নেই’ অবস্থা ছিলো।”
আহমেদ আযম খান বলেন, “আমি নিজে প্রত্যক্ষ করেছি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ মারা যায়। দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা তখন মন্তব্য করেছিলেন, কম-বেশি ৫০ হাজার মানুষ সেই চুয়াত্তর থেকে পঁচাত্তরের দুর্ভিক্ষে মারা গেছে। ওই দুর্ভিক্ষের সময় মানুষে কুকুরে একসঙ্গে খাবার খেয়েছে ডাস্টবিন থেকে তুলে এনে। সেই দুর্ভিক্ষের সময় মানুষ মারা গেলে কাফনের কাপড় পাওয়া যায়নি, কলাপাতা দিয়ে তখন কবর দিয়েছে।”
‘সেই দুর্ভিক্ষের পর পরই যখন জিয়াউর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করলেন, তখন দেখেছি আমুল পরিবর্তন হতে। একেবারে তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ থেকে একটা সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ওনার শাসনামলে দেখেছি। আমাদের সরকারের একেবারে শূন্য হাতে যাত্রা শুরু হয়েছে কেবল আড়াই মাস আগে। এই আড়াই মাসে আমাদের প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এরই মধ্যে তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং ১০ হাজার টাকা করে কৃষি ঋণ সুদে আসলে মওকুফসহ আরও অনেক প্রকল্প শুরু করে দিয়েছেন’-উল্লেখ করেন তিনি।