ময়মনসিংহের ভালুকায় গ্যাস সংকটে অনেক শিল্পকারখানায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। শ্রমিকরা কাজে যোগদান করলে ছুটি দিয়ে দিচ্ছে মালিকপক্ষ। এ অবস্থা অব্যহত থাকলে কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে শত শত শ্রমিক।
শ্রমিকারা জানান,কয়েক দিন ধরে সকালে কারখানায় কাজে যাই। গ্যাসের সংকটে মেশিন বন্ধ থাকে। আমাদের কোন কাজ নেই। দুপুরে মালিকপক্ষ ছুটি দিয়ে দেয়। এখন আমরা অনেক শ্রমিক বেকার হয়ে গেছি। যাদি গ্যাসের চাপ না বাড়ে কারখানা বন্ধ ঘোষনা করলে চাকুরী ছাড়া হয়ে পড়বো। চাকুরী না থাকলে বাসা ভাড়া,দোকান বাকী দিতে পারবোনা। ফলে আমাদের সংসার চালানো অনেক কষ্ট হয়ে পড়বে। একই কথা জানালে রাসেল কারখানার ,মাহাদিন,শের্ফাড,এক্রপেরিয়েন্স,গৌরী পোষাক কারখানার শ্রমিকরা।
শিল্প পুলিশের তথ্য তথ্যনুযায়ী গ্যাস সংকটের ও গ্যাসের চাপ না থাকায় কারখানার উৎপাদন বন্ধ হতে বসেছে। অনেক কারখানায় অর্ধেকেরও বেশি মেশিন বন্ধ রেখেছে মালিক পক্ষ। গ্যাস সংকটে এ অঞ্চলের প্রধান শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন ৫০ শতাংশে নেমে এসেেেছ। জেনারেটর ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আংশিক উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা করছে। গ্যাস সংকট নিয়ে শিল্পকারখানার পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সাথে কেহ কথা বলতে রাজি হয়নি মালিকপক্ষ।
গ্যাস সরবরাহের বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি ময়মনসিংহের ভালুকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (সিস্টেম অপারেশন) শামীম হোসেন বলেন, ভালুকা এলাকার জন্য ১৪০ ও ১৫০ পিএসআইয়ের দুটি পৃথক লাইনে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। কিন্তু বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ পিএসআই গ্যাস। সরবরাহ কম পাওয়ায় গ্যাসের চাপ কমে গেছে।