জ্বালানি সংকটে

শেরপুর হাসপাতালে বন্ধ জেনারেটর, লোডশেডিংয়ে ভোগান্তিতে রোগীরা

এফএনএস (সৌরভ অধিকারী শুভ; শেরপুর, বগুড়া) : | প্রকাশ: ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
শেরপুর হাসপাতালে বন্ধ জেনারেটর, লোডশেডিংয়ে ভোগান্তিতে রোগীরা

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি তেলের অভাবে লোডশেডিংয়ের সময় তা চালানো যাচ্ছে না। এতে বিদ্যুৎ চলে গেলে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে পাখা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রচণ্ড গরমে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ভর্তি রোগীদের। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভোগান্তি আরও বাড়ছে।

রবিবার সন্ধ্যায় ৫০ শয্যার এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি ৫৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ চলে গেলে ওয়ার্ডগুলোতে পাখা বন্ধ হয়ে যায়। গরমে রোগীদের পাশাপাশি তাঁদের স্বজনদেরও অস্বস্তিতে পড়তে দেখা যায়। শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি গোপালপুর গ্রামের আবদুস সামাদের পাশে ছিলেন তাঁর স্ত্রী চম্পা বেগম। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পাখা বন্ধ থাকায় গরমে তাঁর স্বামীর শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। একই ধরনের দুর্ভোগের কথা জানান নারী ওয়ার্ডে ভর্তি লতা রানী।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, জরুরি বিভাগে আইপিএস এবং অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) জেনারেটরের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সাধারণ ওয়ার্ডে পাখা চালানোর জন্য বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে লোডশেডিংয়ের সময় ওয়ার্ডগুলোতে শুধু এনার্জি বাল্ব জ্বলে; পাখা বন্ধ থাকায় রোগীদের অসহনীয় গরমের মধ্যে থাকতে হয়। শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিরুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও সেটি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল কেনার কোনো সরকারি বরাদ্দ নেই। এ কারণে সাধারণ ওয়ার্ডে জেনারেটর চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি বলেন, জ্বালানি কেনার জন্য বরাদ্দের ব্যবস্থা করা গেলে লোডশেডিংয়ের সময় ওয়ার্ডের পাখা চালানো সম্ভব হবে এবং রোগীদের দুর্ভোগও অনেকটা কমে আসবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে