লক্ষ্ণীপুরে দীপ্ত টিভির জেলা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যার চেস্টার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ জানান, আটক সাকিবকে হত্যা চেস্টার ঘটনা ও সন্ত্রাসী বিরোধী আইনসহ দুই মামলায় বুধবার বিকালে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। অপরদিকে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যা চেষ্টার মামলায় অন্য আসামীদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে।
এর আগে বুধবার সকালে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে সদর থানায় সন্ত্রাসী সাকিবসহ ৬জনকে আসামী করে এই মামলা দায়ের দারেন। পরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ পারভেজ। তিনি জানান, এসব মামলা ছাড়াও সাকিবের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা,মাদকসহ বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। মামলা ও সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্ণীপুর শহরের স্কুল থেকে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ির দিকে যাওয়ার পথে সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকায় পৌঁছলে সাকিব বাহিনী প্রধান ও তার কয়েকজন সহযোগীসহ তার পথরোধ করে তাকে মারধর করে হত্যার চেস্টা চালায়।
এসময় সাংবাদিককে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। পাশাপাশি প্রকাশ্যেই গুলি করে হত্যা করার হুমকি সন্ত্রাসী সাকিব। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় সাকিবকে ঘেরাও করে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা।
মাদক ব্যবসা ও সাকিবের বিরুদ্ধে সংবাদ করায় এই ঘটনা ঘটাতে পারে বলে ধারনা করছে স্থানীয়রা। পুলিশ ও স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন,সন্ত্রাসী সাকিব হোসেন সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকার সেলিম ড্রাইভারের ছেলে। সে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের উপজেলা পর্যায়ের নেতা। সাবিবের রয়েছে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী। আর বাহিনীর প্রধান সে নিজেই। সন্ত্রাসীর পাশাপাশি এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত সেই। বৈষম্যবিরোধী চার শিক্ষার্থী হত্যা মামলার অন্যতম আসামী ছিল এই সাকিব। কয়েকদিন আগে শিক্ষার্থী হত্যা ও মাদক আইনের মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ করে সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে এসে আবারও এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যে সাকিব ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর গ্রেফতার এবং বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। সাংবাদিকতার পাশাপাশি শিক্ষকতার পেশার সাথেও জড়িত জাহাঙ্গীর।