সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজে ভর্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : | প্রকাশ: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজে ভর্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ

‘আমরা এই কলেজেরই নিয়মিত শিক্ষার্থী। তাহলে জিপিএ -৫ না পাওয়ার কারণে কেন একই কলেজে ভর্তি হতে পারব না। এমন প্রশ্ন তুলে সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজে ভর্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ৪৮ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের সামনে এ বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। এ সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরে দ্রুত ভর্তির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান। এতে ওই সড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন ধরে সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে লেখাপড়া করে আসছেন। এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় কলেজটিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ থেকে তাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।

বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন প্রধানমন্ত্রীর খালাতো ভাই প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন। তিনি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দেন। এ সময় সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, একই প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পড়াশোনা করে এসএসসি পাস করার পরও শুধু জিপিএ-৫ না পাওয়ার কারণে যদি নিজ কলেজে ভর্তির সুযোগ না দেওয়া হয়, তাহলে তাদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে। তারা অবিলম্বে বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনা করে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান।

অভিভাবকরাও বলেন, সন্তানদের পছন্দের ও পরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া তাদের অধিকার। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করেন তারা। তবে ভর্তির ক্ষেত্রে কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত নীতিমালা, আসনসংখ্যা ও প্রযোজ্য নিয়মকানুনের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের এ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের ভর্তির বিষয়ে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আসে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে