ঈদের আর মাত্র দু’দিন বাকী রয়েছে। বাজিতপুর বাজারসহ শহরের বিভিন্ন স্পটে নিয়মিত ভাবে চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে এ উপজেলার সরারচর রোড, পিরিজপুর রোড, পিরিজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কসহ রাতের বেলায় সাধারণ মানুষ কেনাকাটা করে ফেরার পথে এসব ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় থাকলেও এর ফাঁকে চুরি ছিনতাই ঘটনা ঘটছে। উল্লেখ্য উপজেলার কৈলাগ ইউনিয়নের কুকরারাই গ্রামে চার চুরের কারণে এ গ্রামটি জিম্মি হয়ে রয়েছে। মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ী এই চার চুর এলাকায় চুরি, ছোট-খাটো ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থেকে এলাকায় ত্রাশের রাজত্ব কায়েম করছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে। তাদের দৌরাত্মে নিরীহ গ্রামবাসী অতিষ্ট হয়ে প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরে বেরাচ্ছেন। কোথাও মিলছে না এতটুকু সুবিচারের আশ্বাস। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় দুর্ধর্ষ চুর রিপন মিয়া, জামাল মিয়া, রাব্বি মিয়া ও মইন্না চুরা। এদের পেশা চুরি, ডাকাতি ও জোয়া খেলা। গত ৭ মাস আগে কুকরারাই গ্রাম থেকে প্রায় ৪৫টি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। গত কয়েকদিন পূর্বে এই চুরেরা গরু চুরি করতে গিয়ে সামাল দিতে না পেরে গরুকে জবাই করে তার মাংস চুরি করে নিয়ে মাথায় ফেলে রেখে যায়। গ্রামবাসী নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন জানান আমরা তাদের দৌরাত্ম শব্দ করতে পারি না। কেননা ওরা সকালে ধরা পরলে বিকালেই ছাড়া পেয়ে যায়। ফিরে এসেই আবার গ্রামবাসীকে হুমকি ধামকি দেয়। আমরা তা দের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। গ্রামবাসীর স্বাক্ষরিত একটি আবেদনপত্র জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছে এলাকার মানুষ। গ্রামবাসীর প্রত্যাশা প্রশাসন দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের জিম্মি অবস্থা থেকে মুক্তি দিয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিবেন বলে তাদের বিশ্বাস।