চাঁদপুর আধুনিক লঞ্চঘাট ও নৌ-বন্দর নির্মাণ কাজ চলছে ধীরগতিতে। দুই বছর মেয়াদী এই প্রকল্প মেয়াদের এক বছরে কাজ হয়েছে ১৫ শতাংশ। ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর একনেকে ‘চাঁদপুর আধুনিক নৌ-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প’ অনুমোদন পায়। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে এটি নির্মাণ হচ্ছে।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার সাথে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম চাঁদপুর নৌ বন্দর। যোগাযোগ সুবিধার কারণে প্রতিনিয়ত এই বন্দর দিয়ে চাঁদপুর জেলাসহ ঢাকা, লক্ষ্ণীপুর, শরীয়তপুর,মুন্সীগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল,পটুয়াখালী
সহ আশপাশের বিভিন্ন জেলার হাজার হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। চাঁদপুর শহরের মাদ্রাসাঘাটস্থ অস্থায়ী ব্যবস্থায় চলে আসা এই বন্দরটি আধুনিকায়নে যাত্রীদের দাবি ছিল দীর্ঘ দিনের। অবশেষে কাজ শুরু হলেও ধীরগতিতে চলা নির্মাণ কাজে হতাশ যাত্রীরা। প্রতিনিয়তই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি যাত্রীদের। কতৃপক্ষের একটি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা ২০২৫ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ করার কথা থাকলেও যে গতিতে কাজ চলছে তাতে প্রকল্পের কাজ শেষ হতে ২০২৮ পর্যন্ত সময় লাগবে। বর্তমানে চাঁদপুর লঞ্চ ঘাট দিয়ে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক লঞ্চ চলাচল করে থাকে ঢাকা ও দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন নৌ-রুটে। এই ঘাটে প্রতিদিন গড়ে ১০-১৫ হাজার যাত্রী আসা-যাওয়া করলেও ঈদের উৎসবকে কেন্দ্র করে তা বেড়ে দাঁড়ায় লক্ষাধিক।