বগুড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতির জন্য এক উর্বর ভূমি। আন্দোলন, সংগ্রাম ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে এই জেলার নাম উচ্চারিত হয় গৌরবের সঙ্গে। বিশেষ করে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির রাজনীতিতে বগুড়া একটি শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে পরিচিত। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রজন্মের তরুণ নেতারা দলের হাল ধরতে এগিয়ে আসছেন।
বগুড়া শহর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সৌরভ হাসান শিবলু বিশ্বাস করেন রাজনীতির উদ্দেশ্য কেবল ক্ষমতা নয়, বরং মানুষের অধিকার রক্ষা ও গণতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা। তার ভাবনা, পরিকল্পনা ও দৃষ্টিভঙ্গি অনেক তরুণ নেতাকর্মীর কাছে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
সৌরভ হাসান শিবলু মনে করেন, রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রাণ হলো শক্তিশালী সংগঠন। যুবদলকে প্রতিটি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও গ্রামে ছড়িয়ে দিতে হবে। সংগঠন যত শক্তিশালী হবে, আন্দোলন তত সফল হবে। যুবদলই হবে বিএনপির মূল শক্তি।
সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে সক্রিয় করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং প্রয়োজনে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত রাখা। বগুড়া বরাবরই বিএনপির আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। এখানকার মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে এবং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পিছপা হয়নি। বগুড়ার মানুষের রক্তে আছে আন্দোলন। অনেক নেতা-কর্মী শহীদ হয়েছেন, কারাগারে থেকেছেন। এসব ত্যাগ বৃথা যেতে পারে না। আগামী দিনে বগুড়া আবারও জাতীয় রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম হবে। আজকের তরুণদের অনেকেই রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। কিন্তু সৌরভ শিবলু দৃঢ়ভাবে মনে করেন, তরুণদের ছাড়া রাজনীতি টিকে থাকতে পারে না। যুব সমাজ হতাশ হলে জাতি অন্ধকারে ডুবে যাবে। তাই তাদের রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনা জরুরি। কর্মসংস্থান, শিক্ষা, ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রশ্নে তরুণরা বিএনপির প্রতি আস্থা রাখছে। বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলো নানা চাপে থাকলেও সৌরভ শিবলু প্রথমেই ঐক্যের কথা বলেন। দলীয় ঐক্য ছাড়া কোনো আন্দোলন সফল হতে পারে না। আমাদের ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ যুবদলই হতে পারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের চালিকাশক্তি।
ভবিষ্যৎ আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে শিবলু বলেন, শুধু স্লোগান নয়, বাস্তবে মানুষের দুঃখ-কষ্টের পাশে দাঁড়াতে হবে। জনগণ যদি মনে করে আমরা তাদেরই সন্তান, তবে তারা আমাদের সঙ্গেই থাকবে। মানুষের আস্থা অর্জন করাই আসল আন্দোলনের ভিত্তি। এখন সময় এসেছে ভয় কাটিয়ে রাস্তায় নামার। জনগণ যদি একবার মাঠে নামে, কোনো শক্তিই আমাদের আন্দোলনকে থামাতে পারবে না।