আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়ন বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের দুই গ্রুপের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ছয়জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে তিনজনকে উপজেলা হাসপাতালে ও একজনকে শনিবার বিকেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাটাজোর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আল-আমিন চাপরাশির সাথে প্রতিপক্ষ বাটাজোর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রাজীব হাওলাদারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নোয়াপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের চায়ের দোকানের সামনে আল-আমিনের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় বাটাজোর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আলাউদ্দিন সরদার বাবুল, লিটন সরদার ও জয়সহ আরো দুইজন আহত হয়। হামলায় আহত আল-আমিন চাপরাশি শনিবার বিকেলে অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রাজীব হাওলাদার, ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য দুলাল সরদার ওরফে বাঘা দুলাল, যুবদল সদস্য লোকমান বেপারী ও জুয়েলের নেতৃত্বে তাদের ২০/২৫ জন সহযোগিরা আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে আমার ওপর হামলা করে। এসময় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আলাউদ্দিন সরদার বাবুলকে কুপিয়ে জখম করা হয়। অভিযোগ অস্বীকার করে বাটাজোর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক রাজীব হাওলাদার বলেন, হামলার সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের কথা শুনেছি। আল-আমিন চাপরাশির পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।