দুর্গাপুরে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

এফএনএস (এস.এম রফিকুল ইসলাম; দুর্গাপুর, নেত্রকোনা) :
| আপডেট: ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৪:০৫ পিএম | প্রকাশ: ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৪:০৫ পিএম
দুর্গাপুরে কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

নেত্রকোনার  দুর্গাপুর উপজলো কৃষি কর্মকর্তা (ভার:) মো. রায়হানুল হক’র বিরুদ্ধে সোলার সেচে প্রকল্প কাজের নামে কৃষকরে কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে কৃষি বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।

মঙ্গলবার (২ ডসিম্বের) সকালে উপজলোর চন্ডগিড় ইউনিয়নের ফেচিয়া গ্রামের কৃষক হাসান আলী ও তার ফুপাতো ভাই আলাল মিয়া সাংবাদকিদরে কাছে অভিযোগ তুলে ধরনে।

কৃষক হাসান আলী বলনে, আমার ফুপাতো ভাই আলাল মিয়ার নামে সোলার সেচে পাম্পের কাজ আসে। এরপর কৃষি অফিসে যোগাযোগ করি তারপর ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা রায়হানুল হক কাজের খরচের জন্য ১ লাখ টাকা দাবি করনে ঐ কৃষকের কাছে। দাবিকৃত টাকার মধ্যে কথামতো হাতে-হাতে ৩০ হাজার টাকা এবং গত ১০ নভেম্বর তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আরও ২০ হাজার টাকা পাঠাতে বাধ্য হয়। পরে আবারও ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হলে এরপরই লিখিত অভিযোগ করনে।

তিনি আরও বলনে, আমি জানতে পারি যে এই কাজ সরকারি এবং এর জন্য কোনো টাকা লাগে না। এজন্যই আমি অভিযোগ করেছি।

কৃষক আলাল মিয়া বলনে, সরকারি কাজ কোনো টাকা লাগে না। কিন্তু রায়হান স্যার ১ লাখ টাকা চেয়েছে, এর মধ্যে ৫০ হাজার টাকা নিয়িছে। আমাদের টাকা ফেরত চাই।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলতি বছরে গত ২ জুন উপজলো কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিস্বাস ছুটিতে যান। সে দায়িত্বভার অস্থায়ীভাবে গ্রহণ করেছিলেন অতিরিক্তি কৃষি কর্মকর্তা রায়হানুল হক। তার দায়িত্ব পালনকালে এই ঘুষ গ্রহণরে অভিযোগ ওঠে, যা স্থানীয় কৃষকদরে মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। তার দায়িত্বকাল শেষ হবে আজ ২ ডিসেম্বর।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে উপজলো কৃষি অফিসে গেলে রায়হানুল হক’কে পাওয়া যায়নি। অফিস সূত্র জানায়, তিনি ছুটিতে রয়েছেন। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করনে এবং এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার কথাও প্রতিবেদককে বলনে তিনি। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। আপনারা জানেন আমি কেমন ধরনের অফিসার।

এ বষিয়ে নেত্রেকোণা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।