পাবনার চাটমোহর সহ চলনবিল অঞ্চলে মাছ পৌষের কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্থগীরতা নেমে এসেছে চারদিক। তীব্র শীতের সঙ্গে বইছে উত্তরের শীতল বাতাস। গত দুদিনে এ অঞ্চলে সূর্যের দেখা মেলেনি। এর আগে দুপুরের পর সূর্যের দেখা মিললেও তাতে ছিলনা উষ্ণতা। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই বৃষ্টির মতো ঝিরি ঝিরি কুয়াশা পড়তে থাকায় জনজীবনে নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি। এই পরিস্থিতিতে অতি প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে সিদ নিবারনের চেষ্টা করছে। গরম কাপড়ের দোকানে ব্যাপক ভিড় বেড়েছে। শীত নিবারণে জন্য বাজারে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কানটুপি ও আধুনিক ডিজাইনের কানফোন।শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষ পর্যন্ত সবাই এখন কানটুপি ও কানফোন ব্যবহারে ঝুঁকছেন। চাটমোহর পৌর সদরের পুরাতন বাজারে এলাকায় ফুটপাতে গরম কাপড়ের দোকানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
একাধিক দিনমজুর অটোভ্যান চালক ও নির্মাণ শ্রমিক জানান, এই শীতে তাদের আয়-রোজগার কমে গেছে। রাস্তাঘাটে লোকসমাগম কমে গেছে। এদিকে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ ব্যাপক বেড়ে গেছে।
সোমবার চাটমোহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কনকনেস ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় জনজীবনে ছবিরতা নেমে এসেছে।