সরাইলে বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিল

এফএনএস (মাহবুব খান বাবুল; সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া) : | প্রকাশ: ৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:৪১ এএম
সরাইলে বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে উপজেলা বিএনপি অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের উদ্যোগে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় দেয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রোববার বিকেলে সরকারি অন্নদা স্কুল মাঠে বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরূজ্জামান লস্কর তপুর সঞ্চালনায় ও   ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ মাহমুদ শ্যামলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি জোটের শরিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জমিয়তে উলামা ইসলাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনাঈদ আল হাবিব । বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভিপি মো. জহিরূল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির  সভাপতি মো. আনিছুল ইসলাম ঠাকুর, সাবেক সভাপতি এড. আব্দুর রহমান, সাবেক সম্পাদক ও জেলা কমিটির সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র কার্যনির্বাহী সদস্য শেখ মোহাম্মদ শামীম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা ও জেলা বিএনপি’র সদস্য আহসান উদ্দিন খান শিপন, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল মাহমুদ আলী ও যুবদলের আহবায়ক মো. আবু সুফিয়ান সিদ্দিকী প্রমূখ। বক্তারা বলেন, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়। বিএনপি’র হাইকমান্ড দলীয় জোটের শরিক হিসাবে জুনাঈদ আল হাবিবকে এই আসন থেকে মনোনায়ন দিয়েছেন। জমিয়ত উলামা ইসলাম ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরূদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে দীর্ঘদিন আমাদের সাথে রাজপথে ছিলেন। এই জুনাঈদ আল হাবিব ফ্যাসিস্ট সরকারের কারাগারে ছিলেন ৩৩ বছর। অনেক অত্যাচার অবিচার নির্যাতন সহ্য করেছেন। তাই বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক উনাকে এই আসন থেকে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমাদেরকে দলীয় সিদ্ধান্তের বাহিরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। দলকে ভালো বাসলে। দলের প্রতি আন্তরিকতা ও দরদ থাকলে অবশ্যই দলীয় সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নিতে হবে। আপনারা সকলেই জানেন ইতিমধ্যে যারা দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করেছেন তারা দল থেকে বহিস্কার হয়েছেন। আমাদের জেলায়, উপজেলায়, ইউনিয়রন ও ওয়ার্ডে শক্তিশালী কমিটি রয়েছে। ব্যক্তি বিশেষের এই কমিটি গুলো নেই। তাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকলকে জুনাঈদ আল হাবিবের নির্বাচন করতে হবে। মনে রাখতে হবে, ব্যক্তির কাছে দলের পরাজয় হতে পারে না। এক সময় জোটের প্রার্থীদের প্রতীক ছিল ধানের শীষ। এইবার আইনের কারণে প্রার্থীকে নিজ দলের প্রতীকেই নির্বাচন করতে হবে। তাই জুনাঈদ আল হাবিবের প্রতীক খেজুরগাছ। আপনারা সাত্তার সাহেবের নির্বাচন করেছেন। আমিনী হুজুরের নির্বাচন করেছেন। এটা ধানের শীষের আসন। বিএনপি’র সকল নেতা কর্মী ও ভোটারকে খেজুর গাছকে-ই মনে করতে হবে ধানের শীষ। ওই ধানের শীষকে (খেজুরগাছ) জয়লাভ করোনোর জন্য সকলকে কাজ করতে হবে। পরে জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও সম্পাদক জুনাঈদ আল হাবিবের হাত ধরে টেনে দাঁড় করিয়ে সকলের কাছে বিএনপি জোটের প্রার্থী পরিচয় করিয়ে ভোট চান।প্রধান অতিথি জুনাইদ আল হাবিব অন্যান্য সভার মত গতকালও বলেছেন, আমি পাস করলে বিএনপি পাস। এমপি হতে পারলে আমি সরাইল আশুগঞ্জের মানুষের জন্য কাজ করব। ৩ ও ২ আসনের উন্নয়ন শ্যামল ভাইয়ের সাথে বলে ফিফটি ফিফটি করব। আল্লাহ যদি আমাকে এমপি নির্বাচিত করেন আমি বিএনপি’র সাথে পরামর্শ করেই সকল প্রকার কাজ করব। সকল কিছুতে আপনাদের অংশিদারিত্ব থাকবে। বিএনপি ও তারেক জিয়ার হাতকে শক্তিশালী জয়ের কোন বিকল্প নেই। আপনাদের সাংগঠনিক শক্তির দ্বারা জয়লাভ করব ইনশাল্লাহ। সবশেষে তিনি দেশনেত্রী প্রয়াত বেগম জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন।