নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অহরহ চলছে ভারি যানবাহন। এতে করে শহরের সড়কগুলো যেমন ভাংছে তেমনি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুকি। উপজেলা আইন শৃংখলা সভায় বার বার ভারি যানবাহন শহরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও তা কেউ তোয়াক্কা করছে না। শহরের হালকা সড়কে ভারি যানবাহন চলাচলের কারণে ভাল সড়কগুলো দ্রুত ভেঙ্গে খানাখন্দে পরিনত হচ্ছে। এতে সরকারের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। বর্তমানে সৈয়দপুর পৌরসভা এলাকার বেশির ভাগ সড়ক চলাচলে অনুপযোগি। কয়েকটি সড়কের সংস্কার কাজ করা হয়েছে। কিন্তু নিম্নমানের কাজ করায় ওই সড়কগুলো আবার নষ্ট হতে চলেছে। ঠিকাদাররা বেশি লাভের আশায় দায়সারা কাজ করায় সড়কগুলোর এমন অবস্থা বিরাজ করছে। এমন কথা বলছেন মহল্লার জনগন। তাদের অভিযোগ সরকার পরিমান অনুযাযি অর্থ বরাদ্দ দিলেও ঠিকাদাররা নিম্নমানের ইট,বালু,বিটুমিন বয়বহার করায় সড়ক স্থায়িত্ব হারাচ্ছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে ওই সড়ক আবার সংস্কার করতে হচ্ছে। শহরের কলিম মোড় থেকে বিচালি হাটি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কটিতে ওভার লোড ও ভারী যানবাহন চলাচল করায় তা ভেঙ্গে খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। নিয়ামতপুর সরজারপাড়া মোড় থেকে মুন্সিপাড়া খেজুরবাগ মসজিদ পর্যন্ত সড়কটির করুণ অবস্থা। এ পথে এখন আর তেমন মানুষ চলাচল করে না। এ ছাড়া দিনে ও রাতের কোন কোন সময় ইট,বালু বহনকারি ট্রাক্টর সড়কে চলাচলের কারণে সড়ক আরো ভাংছে। কোন কোন এলাকায় এ সকল ট্রাক্টরের ধাক্কায় অনেক মানুষ আহতের ঘটনা ঘটেছে। ভারী যানবাহনের কারণে শহরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজট লেগেই থাকে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। দরমাপট্টি সড়কে ওভার লোড লোহার। এতে সড়কটি ফেটে চুরমার হয়েছে। শহরের সড়ক দিয়ে ভারী ট্রাকসহ নৈশ কোচগুলো চলাচলে নিষিদ্ধের দাবি উঠলেও তা কার্যকর হয়নি। শহরবাসী বিভিন্ন সময়ে কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানালেও নেওয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা। সৈয়দপুর শহরের হাজী কলোনী,সাদ্দাম মোড়,কলিম মোড় থেকে মিস্ত্রীপাড়া মোড় হয়ে বাইপাস সড়ক বসুনিয়ার মোড় পর্যন্ত সড়কটির বেহাল অবস্থা। বলা চলে সড়ক চলাচলে অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে সৈয়দপুর পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানান,শহরের বেশ কয়েকটি সড়কের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কোন কোন সড়কের কাজ চলমান। পর্যায়ক্রমে বাদ বাকি সড়কের কাজ করা হবে।