কাহারোলে ইট-ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় পুড়ছে ফসল

এফএনএস (মোঃ আব্দুল্লাহ; কাহারোল, দিনাজপুর) : | প্রকাশ: ৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম
কাহারোলে ইট-ভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় পুড়ছে ফসল

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় বিভিন্ন -’ানে সরকারি নিয়ম-নীতির তয়াক্কা না করে যত্রতত্র গড়ে ওঠা বেশ কয়েকটি ইট-ভাটা গিলে খাচ্ছে কয়েক হাজার একর আবাদি কৃষি জমি। এছাড়াও ঐ সব ইট-ভাটার কালো ধোঁয়া ও বায়ু দূষণের এই অঞ্চলের পরিবেশ মারাত্মক ঝুকিতে পড়েছে। বাৎসরিক সরকারি রাজ-^ ফাঁকি দিলেও ইট-ভাটা মালিকদের পকেট ভারী হচ্ছে প্রতনিয়ত। উপজেলার অবৈধ ইট-ভাটার বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় পুড়ছে কৃষকদের হাজার হাজার একর ফসল। চলমান পৌষ মাসের এই শীতে ইট-ভাটা মালিকদের দৌরাত্ম্য কমে নাই। কৃষকদের জমির মাটি যাচ্ছে ইট-ভাটায়। কাহারোল উপজেলায় ১০টি ইট-ভাটার মধ্যে ২টি বন্ধ রয়েছে ও ৩টি ভাটার নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। পুরোদমে সরকারি বিধি-বিধান না মেনে ইট তৈরী করছেন ভাটার মালিকেরা। ইট-ভাটা -’াপনে পরিবেশ, বন বিভাগ ও কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে নির্দেশনা অনুযায়ী হাইব্রীড হফম্যান, জিকজাক, ভার্টিকেল শ্যাফট কিলন কিংবা বিএসটিআই পরিচিত নতুন প্রযুক্তির এলাকায় পরিবেশ বান্ধব সহ সরকারি অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রয়োজনীয় অনুমতি প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর বাৎসরিক হাল নাগাদ ছাড়পত্র কিংবা প্রত্যয়নপত্র না নিয়েই ইট-ভাটাগুলো বিনা বাধায়, অবাধে ইট উৎপাদন করে চলছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ১২ ও ৪ এর ২/৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আবাদী কৃষি জমি, পরিবেশ সংকটাপন্ন ও জনবসতি এলাকা, পাকা সড়ক এবং আশে পাশে ইট-ভাটা -’াপন করা দন্ডনীয় অপরাধ। আবার ২/১ টি ছাড়া অনেকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ইট তৈরির উন্নত ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞানসহ পরীক্ষিত কোন সরঞ্জাম নেই বললেই চলে। ইট প্র-‘ত ও ভাটা -’াপন আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ এলাকা থেকে কমপক্ষে ১ কি.মি. ও এলজিইডি নির্মিত সড়কের আধা কিলোমিটারের মধ্যে কোন ইট-ভাটা হতে পারবে না। বিশেষ করে নিষিদ্ধ এলাকা হিসাবে আবাসিক, সংরক্ষিত ও বাণিজ্যিক এলাকা, পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা কৃষি আবাদি জমি বন ও বাগানকে বুঝানো হয়েছে। এ বিষয়ে একাধিকবার মালিক দাম্ভিক উক্তির সুরে জানায়, আমরা নিয়মমাফিকভাবে এবং -’ানীয় প্রশাসন সহ বিশেষ বিশেষ মহলকে ম্যানেজ করে ইট-ভাটা চালাচ্ছি। এছাড়া বিশেষ বিশেষ জাতীয় দিবসগুলোতে -’ানীয় প্রশাসনকে মোটা অংকের টাকা দিতে হয়।