খুলনার ভৈরব নদের ৬ নং ঘাট এলাকা থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে খুলনা মেট্রো সদর নৌ থানা পুলিশ। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর ৬ নম্বর ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের পরিচয় পাওয়া গেছে। সে নগরীর খানজাহান আলী থানার যোগীপোল এলাকার বাসিন্দা। তার নাম মোঃ রাজীব (৩০)। স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এমভি তাওছীফের আয়মান-২ এর সুকর্ণী মিলন ঘোষ নদী থেকে পানি তোলার জন্য দুইটি লাইটার ভেসেলের মাঝখানে যান। এ সময় তিনি ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান। স্থানীয়রা খুলনা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নৌ-পুলিশকে অবহিত করে। খুলনা সদর নৌ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ বাবুল আক্তার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধারের প্রথম দিকে লাশের পরিচয় না মিললেও পরবর্তীতে লাশের স্ত্রী ফারহানা ইয়াসমিনসহ স্বজনরা এসে লাশ শণাক্ত করে। রাজীব গত ৩ জানুয়ারী থেকে নিখোঁজ রয়েছে। মোবাইলে লাশ শণাক্ত করে স্ত্রী নৌ থানায় ছুটে আসে। রাজীব আগে খারাপ ছিল। এখন সে একাকী ভালো হয়ে ভালো পথে চলতো। তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে। সে ওয়ারেন্টের আসামী বলে তার স্ত্রী দাবী করেন। এদিকে দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া কলোনী এলাকায় ভৈরব নদী মাঝে জনৈক ব্যক্তিকে কিছু উঠতি বয়সের যুবকেরা মারধর করে এবং দেয়াড়া কলোনী এলাকার জনৈক ব্যক্তি নৌকা নিয়ে রক্ষা করতে এগিয়ে যাওয়া এবং তাকে ধাক্কা দিয়ে নদীতে ফেলে দেওয়া ও লাশ নদীতে নিক্ষেপের খবর চাওর হচ্ছিল বলে জানা গেছে। এ যুবকের হত্যা রহস্যের সঙ্গে দিঘলিয়া উপজেলার দেয়াড়া কলোনী এলাকার সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার বলে বিজ্ঞমহলের অভিমত। সূত্র বলছে উক্ত যুবককে নৌকা যোগে নদীর মাঝে এনে মারধর এবং উদ্ধার করতে এগিয়ে যাওয়া লোকের ওপর চড়াও হওয়া এবং নদীতে ফেলে দেওয়া, সাঁতার কেটে কূলে ওঠা, হামলাকারীরা যুবককে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়ে অবাধে যার যার অবস্থানে ফিরে যাওয়া সব ঘটনা তদন্ত করে দেখার দাবী আইন প্রয়োগকারী সকল সংস্থার কর্মকর্তা প্রতি বিজ্ঞমহলের।