গত বছরের ২ আগস্ট রাতে ভিকটিম (১৫) তাদের বসত ঘরে থাকা অবস্থায় ভিকটিমের দাদী ও বাবার অনুপস্থিতে আসামি মো: দুলাল খন্দকার (৩৭) টিনসেড ঘরে প্রবেশ করে ঘরের মাঝের কক্ষের চৌকির উপর ফেলে আসামির হাতে থাকা চাকু দ্বারা খুন করবে বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের সময় ধস্তাধস্তিতে ভিকটিমের বাম হাতের কবজিতে আসামির নখের আচর লেগে জখম প্রাপ্ত হয়। ভিকটিমের বাবা পটুয়াখলী জেলার দুমকি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে থানার মামলা নং- ০৯, তারিখ- ১৪/০৮/২০২৫ খ্রি., ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১) রুজু হয় । উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধর্ষণে জড়িত আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি দুপুরে র্যাব-১০ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-১ এর সহযোগীতায় ডিএমপি, ঢাকার তুরাগ থানাধীন কামারপাড়া ব্রীজ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মো: দুলাল খন্দকার (৩৭), পিতা- মৃত বারেক খন্দকার, সাং- দুমকি, থানা- দুমকি, জেলা- পটুয়াখলী’কে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করে যে, সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে ছিল। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।