দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলা বিএনপির ২২ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কালিগঞ্জের ১৭ জন এবং আশাশুনির ৫ জন নেতা রয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীনের সুপারিশ এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশের নির্দেশক্রমে এই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নেতাদের দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলার কালিগঞ্জ উপজেলায় বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, রতনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শিহাবউদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি সিরাজুল ইসলাম বাবলু, নলতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কিসমাতুল বারী, সাধারণ সম্পাদক মিলন কুমার সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াকুব আলী খান ও সদস্য আজিজুর রহমান পাড়। এ ছাড়া তালিকায় রয়েছেন কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল আজিজ গাইন, মৌতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল কবীর, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আঙ্গুর, ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি জাকির হোসেন, তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি মোনাজাত সানা, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি সফিরউদ্দীন সবুজ ও কোষাধ্যক্ষ নূর ইসলাম মিলন এবং কুশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান বাবু ও রবিউল ইসলাম। আশাশুনি উপজেলা থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল আহসান, সাবেক সদস্য জুলফিকার আলী জুলি ও মিজানুর রহমান, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং বুধহাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম। জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু বলেন, দলের শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না। সংগঠনবিরোধী কাজে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁদের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।